ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জের বিদ্যুতের মেরামত করতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক নগরীর আইডিয়াল মোড় সংলগ্ন মহাসড়কে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত খুলনায় নিজ রাইফেলের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা বৈশাখের ঝড় ও বজ্রপাতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা কৃষি জমির টপসয়েল কাটা বাধা দিলেন ইউপি সদস্য রহিম উল্লাহ আমজাদহাটে জনমনে স্বস্তি সুনামগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে ধর্মপাশা, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ ও দিরাইয়ে ৫ জনের মৃত্যু কিশোরগঞ্জ টানা ৭২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে এলাকাবাসী মিঠাপুকুরে বজ্রপাতে ২ জন নিহত, শিশু সহ আহত ১০ ঝালকাঠিতে বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা,
নিজস্ব প্রতিনিধি:

নেত্রকোনা জেলা মদন উপজেলায় মারুফা আক্তার (২৭) নামের ১ নার্সের হাত পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে।

১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে মদন পৌর সদরের বাড়িভাদেরা রোডে ১টি বাসায় এ ঘটনা ঘটে, ওই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত, আরিফুল ইসলামের (৩৫) বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায়, তিনি ময়মনসিংহের ১টি বেসরকারি হাসপাতালে কাজ করেন, অন্যদিকে আহত মারুফা আক্তারের বাবার বাড়ি মদন উপজেলায়, তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স।

পুলিশ স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে আরিফুল ও মারুফার বিয়ে হয়, প্রায় ৬ মাস আগে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগ দেন মারুফা, ওই দম্পতি পৌরসভার বাড়িভাদেরা রোডের ওই ভাড়া বাসায় ওঠেন, তাঁদের ৭ বছর বয়সী ১টি কন্যা সন্তান আছে।

কয়েক মাস ধরে আরিফুল ও মারুফার মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল, এর জের ধরে আজ সকালে মারুফার হাত ও পায়ের রগ কেটে দেন আরিফুল।

পরে স্থানীয় লোকজন মারুফাকে উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাসপাতাল থেকে পুলিশের হাতে আটকের আগে আরিফুল সাংবাদিকদের বলেন, মারুফা আমার সঙ্গে সব সময়ই বাজে আচরণ করত দিন দিন আমার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়েই যাচ্ছিল, এতে অতিষ্ঠ হয়ে রাগের মাথায় আমি তাঁকে আঘাত করেছি, এটা ঠিক হয়নি।

মারুফা আক্তারের হাত-পায়ের রগ কেটে দেওয়া সহ শরীরে জখমের চিহ্ন আছে বলে জানান মদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নূরুল হুদা খান।

তিনি বলেন, মারুফাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

আরিফুলকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, আরিফুলকে আপাতত থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে, ভুক্তভোগী বা পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
print news

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা,
নিজস্ব প্রতিনিধি:

নেত্রকোনা জেলা মদন উপজেলায় মারুফা আক্তার (২৭) নামের ১ নার্সের হাত পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে।

১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে মদন পৌর সদরের বাড়িভাদেরা রোডে ১টি বাসায় এ ঘটনা ঘটে, ওই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত, আরিফুল ইসলামের (৩৫) বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায়, তিনি ময়মনসিংহের ১টি বেসরকারি হাসপাতালে কাজ করেন, অন্যদিকে আহত মারুফা আক্তারের বাবার বাড়ি মদন উপজেলায়, তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স।

পুলিশ স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে আরিফুল ও মারুফার বিয়ে হয়, প্রায় ৬ মাস আগে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগ দেন মারুফা, ওই দম্পতি পৌরসভার বাড়িভাদেরা রোডের ওই ভাড়া বাসায় ওঠেন, তাঁদের ৭ বছর বয়সী ১টি কন্যা সন্তান আছে।

কয়েক মাস ধরে আরিফুল ও মারুফার মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল, এর জের ধরে আজ সকালে মারুফার হাত ও পায়ের রগ কেটে দেন আরিফুল।

পরে স্থানীয় লোকজন মারুফাকে উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাসপাতাল থেকে পুলিশের হাতে আটকের আগে আরিফুল সাংবাদিকদের বলেন, মারুফা আমার সঙ্গে সব সময়ই বাজে আচরণ করত দিন দিন আমার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়েই যাচ্ছিল, এতে অতিষ্ঠ হয়ে রাগের মাথায় আমি তাঁকে আঘাত করেছি, এটা ঠিক হয়নি।

মারুফা আক্তারের হাত-পায়ের রগ কেটে দেওয়া সহ শরীরে জখমের চিহ্ন আছে বলে জানান মদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নূরুল হুদা খান।

তিনি বলেন, মারুফাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

আরিফুলকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, আরিফুলকে আপাতত থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে, ভুক্তভোগী বা পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।