ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিলেটে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা সহ আটক ১ আমজাদ হাটে টপসয়েল রক্ষা ও অবৈধ মাটি কাটা প্রতিরোধে অভিযান ফেনীতে স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে আহত মাধবপুরে ২ কোটি টাকার ভারতীয় ঔষুধ ও ফুচকা জব্দ অবশেষে সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হল বড় প্রক্রিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন যাত্রাপুরে দিনব্যাপী দুর্গম চরাঞ্চলে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, উপকৃত ৫ শতাধিক মানুষ তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং নওগাঁয় ৩ বছরের শিশু সহ একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা মৌলভীবাজার বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ওয়াইফাই সার্ভিস কর্মীর মৃত্যু অবশেষে ফুলবাড়ী ও পার্বতীপুরে তৈরি হচ্ছে সংসদ সদস্যর অফিস

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে শ্রমিকদল নেতার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ বহিষ্কারের দাবি

মোঃ আবদুল আজীম, স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ১১১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ আবদুল আজীম
স্টাফ রিপোর্টার:

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে থানা শ্রমিকদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মনির আহম্মদ রাজনকে ঘিরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ এবং হামলার অভিযোগ উঠেছে।

তার এসব কর্মকাণ্ডে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন রাজন। বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, জোরপূর্বক জমি দখল এবং শালিস বাণিজ্যের মতো অভিযোগ উঠেছে। এসব কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের মধ্যে তার প্রতি অসন্তোষ দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

নেতাকর্মীদের দাবি, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক রিংকুকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন রাজন। এমনকি তার মোটরসাইকেল ব্যবহার করার বিষয়টিও এলাকায় সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় একটি পৃথক বলয় গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে, যা দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, এসব কর্মকাণ্ডে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিশেষ করে গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের ভরাডুবির পেছনেও তার বিতর্কিত ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বর্তমানে রাজন যেসব পদ-পদবীর পরিচয় বহন করে, এগুলো বিএনপির নিবন্ধীত কোনো দল এবং অঙ্গসংগঠন নয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজনের বিরুদ্ধে একাধিক নেতাকর্মীর ওপর হামলা ও অসদাচরণের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অভিযুক্ত রাজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ সময় বহিষ্কারাদেশের পক্ষে যারা স্বাক্ষরকারী নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন:-
১. মোঃ এনায়েত উল্লাহ, আহ্বায়ক, চন্দ্রগঞ্জ থানা যুবদল।
২. মো: হুমায়ুন কবির, সভাপতি, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি।
৩. মোঃ আলী করিম: সাবেক সভাপতি, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি।
৪. তোফাজ্জল হোসেন সবুজ, সাধারণ সম্পাদক, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি।
৫. নুর হোসেন হারুন, সাধারণ সম্পাদক, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল।
৬. আল আমিন ভূঁইয়া, সদস্য, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল।
৭. মোঃ আমির হোসেন ইলিয়াস, যুবদল , ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন।
৮. আবু হানিফ স্বপন, আহ্বায়ক, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল ।
৯. হোসেনুর জামান রাসেল।যুগ্ম আহ্বায়ক, স্বেচ্ছাসেবক দল, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন।
১০. শহিদুল ইসলাম রায়হান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রদল।
১১. শিব্বির আহমেদ শিবলু, সাবেক সভাপতি, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে শ্রমিকদল নেতার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ বহিষ্কারের দাবি

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
print news

মোঃ আবদুল আজীম
স্টাফ রিপোর্টার:

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে থানা শ্রমিকদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মনির আহম্মদ রাজনকে ঘিরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ এবং হামলার অভিযোগ উঠেছে।

তার এসব কর্মকাণ্ডে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন রাজন। বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, জোরপূর্বক জমি দখল এবং শালিস বাণিজ্যের মতো অভিযোগ উঠেছে। এসব কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের মধ্যে তার প্রতি অসন্তোষ দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

নেতাকর্মীদের দাবি, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক রিংকুকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন রাজন। এমনকি তার মোটরসাইকেল ব্যবহার করার বিষয়টিও এলাকায় সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় একটি পৃথক বলয় গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে, যা দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, এসব কর্মকাণ্ডে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিশেষ করে গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের ভরাডুবির পেছনেও তার বিতর্কিত ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বর্তমানে রাজন যেসব পদ-পদবীর পরিচয় বহন করে, এগুলো বিএনপির নিবন্ধীত কোনো দল এবং অঙ্গসংগঠন নয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজনের বিরুদ্ধে একাধিক নেতাকর্মীর ওপর হামলা ও অসদাচরণের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অভিযুক্ত রাজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ সময় বহিষ্কারাদেশের পক্ষে যারা স্বাক্ষরকারী নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন:-
১. মোঃ এনায়েত উল্লাহ, আহ্বায়ক, চন্দ্রগঞ্জ থানা যুবদল।
২. মো: হুমায়ুন কবির, সভাপতি, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি।
৩. মোঃ আলী করিম: সাবেক সভাপতি, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি।
৪. তোফাজ্জল হোসেন সবুজ, সাধারণ সম্পাদক, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি।
৫. নুর হোসেন হারুন, সাধারণ সম্পাদক, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল।
৬. আল আমিন ভূঁইয়া, সদস্য, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল।
৭. মোঃ আমির হোসেন ইলিয়াস, যুবদল , ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন।
৮. আবু হানিফ স্বপন, আহ্বায়ক, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল ।
৯. হোসেনুর জামান রাসেল।যুগ্ম আহ্বায়ক, স্বেচ্ছাসেবক দল, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন।
১০. শহিদুল ইসলাম রায়হান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রদল।
১১. শিব্বির আহমেদ শিবলু, সাবেক সভাপতি, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদল।