আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও তৎপরতা বৃদ্ধির মুখে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বিএনপি। তবে দলটির নীতিনির্ধারকেরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত এই দলটির কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তারা নিজেরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চান না। বিএনপি মনে করছে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কোনো বেআইনি কাজ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।
সম্প্রতি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল এবং আলোচনায় থাকতে শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। এর মধ্যে গত শুক্রবার ঢাকা জুড়ে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন উদ্বেগ ও উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সাংগঠনিক প্রস্তুতি বজায় রাখছে। তবে কোনো ধরনের সংঘাত বা পাল্টা প্রতিরোধের পথে না হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ বর্তমানে একটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল। তাই তাদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক দলের পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজন নেই। নিষিদ্ধ এই সংগঠনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করতে গিয়ে তারা নিজেদের নেতাকর্মীদের জনগণের সামনে ‘লাঠিয়াল’ হিসেবে তুলে ধরতে চান না। কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলার শিকার হলে তখন দলীয়ভাবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে করণীয় নির্ধারণ করা হবে, তবে আইন হাতে তুলে নিয়ে পাল্টা প্রতিরোধে জড়ানোকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করছে না বিএনপি।
এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, যে সংগঠনটি এখনো বেআইনি, তাদের কার্যকলাপের ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ হওয়াই উচিত। সাংগঠনিকভাবে মোকাবিলার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সতর্ক থাকব এবং আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাব। কিন্তু কারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আমরা প্রতিরোধ করতে যাব না। সেটি প্রতিরোধ করবে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কারণ আমরা প্রতিরোধ করতে গেলে মানুষ আমাদেরও আরেকটি গুণ্ডা বাহিনীর মতো মনে করবে, যা আমাদের দায়িত্ব নয়। রিজভী আরও বলেন, তারা অত্যন্ত দুর্বল এবং কাপুরুষোচিত আচরণ করছে। এই বেআইনি সংগঠনের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাই ব্যবস্থা নেবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের তৎপরতাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হলেও সাংগঠনিকভাবে কোনো মারমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। কারণ বিএনপি মাঠে নামলে রাজনৈতিক সংঘাত আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই political party হিসেবে বিএনপি নিজের কর্মসূচি ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি চালিয়ে যাবে এবং সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক থাকবে, কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নেবে না।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এ প্রসঙ্গে বলেন, এটি একটি সন্ত্রাসী ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড, কোনো political কর্মকাণ্ড নয়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হলে সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ হতো। কিন্তু বোমা বিস্ফোরণ ও গাড়িতে আগুন দেওয়া যারা করছে, সরকার তদন্তের মাধ্যমে তাদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেবে। তিনি আরও বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যারা সরকারকে অজনপ্রিয় করার চেষ্টা করছে, তারা নিজেরাই আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এবং জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের পরাজয় মেনে নিয়ে মানুষের কাছে যাওয়াটাই তাদের জন্য রাজনীতির সঠিক দিক হওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ফেনীর আবাসিক হোটেলে ভেজাল মধু তৈরির ঘটনার প্রেক্ষিতে ড. আফিফা খাতুন মধুর বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের বৈজ্ঞানিক…
রোমার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে পিছিয়ে পড়া রিয়াল মাদ্রিদকে জয় এনে দিলেন কোচ হোসে মরিনহো।…
রাজধানীর রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনে গিয়ে ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার…
তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলে স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ বন্যায় চারজনের প্রাণহানি ঘটেছে। ১৯৪২ সালের পর শহরটিতে…
টেলিভিশন থেকে তিন-চার বছরের বিরতির পর স্টার প্লাসের ‘সায়োনি’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে ছোট পর্দায় ফিরেছেন রশমি…
ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি আজ সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিটে সরাসরি দেখা…
This website uses cookies.