ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন রবিউল ইসলাম নয়ন চট্টগ্রাম পতেঙ্গায় ৫ লক্ষ টাকার চোরাই কয়লা জব্দ সোনাগাজী পৌরসভার কোরবানি বর্জ্য ফেলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কুমিল্লায় তদন্তে আসা পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ৮০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার বরুড়ায় ৬ বছরের নিষ্পাপ শিশুকে ধর্ষণ ঘৃণ্য অপরাধী এখনও পলাতক নওগাঁ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক ডিবি পুলিশের অভিযানে মিঠাপুকুরে ইয়াবা সহ ২ মাদক ব‍্যবসায়ী আটক রংপুরে থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে বেগমগঞ্জে আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

পৌরসভা মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে হলে দলীয় পদ ছাড়তে হবে

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০১:০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু এর ১টি বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

রফিকুল আলম মজনু বলেছেন, পৌরসভা মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে আগে দলীয় পদ-পদবী ছেড়ে দিতে হবে, এমপি রফিকুল আলম মজনু এই বক্তব্য প্রকাশের পর থেকেই স্থানীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

আবার অনেকেই মনে করছেন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিরপেক্ষতা ও জবাব দিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, তাদের মতে দলীয় পদে থাকা অবস্থায় নির্বাচন করলে সাংগঠনিক প্রভাব ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়, যা প্রতিযোগিতার সমতা নষ্ট করতে পারে।

এ বক্তব্যের বিরোধিতাও করছেন অনেকে তাদের দাবি, স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতি ও নেতৃত্ব গড়ে ওঠে দলীয় কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েই ফলে দলীয় পদ ছাড়ার শর্ত আরোপ করা হলে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় এবং জনপ্রিয় অনেক নেতা নির্বাচনে অংশ গ্রহণের আগ্রহ হারাতে পারেন।

সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আবার কেউ বলছেন, এতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও স্বচ্ছ ও গ্রহণ যোগ্য হবে, আবার কেউ মনে করছেন, এটি বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না এবং বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তৃত রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন।

রাজনৈতিক মহলের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে হবে, নাকি আরও নিরপেক্ষ কাঠামোয় পরিচালিত হবে, এই বিতর্ক নতুন নয়, তবে এমপি রফিকুল আলম মজনু সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই আলোচনাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

বর্তমানে ফেনী-১ এর বিভিন্ন এলাকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা, অনেকেই এ বক্তব্যকে সময়োপযোগী বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পৌরসভা মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে হলে দলীয় পদ ছাড়তে হবে

আপডেট সময় : ০১:০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু এর ১টি বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

রফিকুল আলম মজনু বলেছেন, পৌরসভা মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে আগে দলীয় পদ-পদবী ছেড়ে দিতে হবে, এমপি রফিকুল আলম মজনু এই বক্তব্য প্রকাশের পর থেকেই স্থানীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

আবার অনেকেই মনে করছেন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিরপেক্ষতা ও জবাব দিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, তাদের মতে দলীয় পদে থাকা অবস্থায় নির্বাচন করলে সাংগঠনিক প্রভাব ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়, যা প্রতিযোগিতার সমতা নষ্ট করতে পারে।

এ বক্তব্যের বিরোধিতাও করছেন অনেকে তাদের দাবি, স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতি ও নেতৃত্ব গড়ে ওঠে দলীয় কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েই ফলে দলীয় পদ ছাড়ার শর্ত আরোপ করা হলে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় এবং জনপ্রিয় অনেক নেতা নির্বাচনে অংশ গ্রহণের আগ্রহ হারাতে পারেন।

সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আবার কেউ বলছেন, এতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও স্বচ্ছ ও গ্রহণ যোগ্য হবে, আবার কেউ মনে করছেন, এটি বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না এবং বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তৃত রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন।

রাজনৈতিক মহলের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে হবে, নাকি আরও নিরপেক্ষ কাঠামোয় পরিচালিত হবে, এই বিতর্ক নতুন নয়, তবে এমপি রফিকুল আলম মজনু সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই আলোচনাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

বর্তমানে ফেনী-১ এর বিভিন্ন এলাকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা, অনেকেই এ বক্তব্যকে সময়োপযোগী বলে আখ্যা দিচ্ছেন।