হৃদরোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় সিপিআর ও সচেতনতা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

হৃদরোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরি এবং জরুরি প্রয়োজনে জীবনরক্ষাকারী সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্য কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশন ও ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির যৌথ উদ্যোগে সিমেক হেলথ সেন্টারে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বেসিক লাইফ সাপোর্ট (সিপিআর) প্রশিক্ষণ এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের আগাম ঝুঁকি নির্ণয় কার্যক্রম। সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ভেড়ামারার আপামর জনসাধারণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান প্রশিক্ষক ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ গোলাম মোর্শেদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অধিকাংশ মানুষ হৃদরোগের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন নন। অথচ নিয়মিত ঝুঁকি মূল্যায়ন, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ এবং সময়মতো সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে অধিকাংশ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব। ডাঃ মোর্শেদ আরও যোগ করেন, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর প্রথম কয়েক মিনিটে সঠিকভাবে সিপিআর শুরু করা গেলে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। তাই প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক সিপিআর জানা থাকা জরুরি।
সিমেক হেলথ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, হৃদরোগ প্রতিরোধ ও জীবনরক্ষাকারী দক্ষতা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তারা নিয়মিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট অফিস ও কমিউনিটিতে এমন কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছেন। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম আরও বড় পরিসরে অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
ভেড়ামারা সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ওয়াহিদ আহমেদ উজ্জল জানান, অসংক্রামক রোগ বিশেষ করে হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরি, আগাম ঝুঁকি নির্ণয় এবং সিপিআর প্রশিক্ষণের প্রসার ঘটানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। স্বাস্থ্য সচেতন ও নিরাপদ সমাজ গড়তে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটির সমন্বিত উদ্যোগের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

























