ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ২০২৭ সালের সভাপতি হচ্ছে পাকিস্তান অস্তিত্বের সংকটে সিরাজগঞ্জের ঐতিহাসিক বারুহাস ইমামবাড়ি ও তিন গম্বুজ মসজিদ গুলশানে অবৈধ মদের কারবার, ২৪৪ লিটার মদ ও বিয়ারসহ আটক ১ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী যৌথ অভিযানে আটক ৫১৯ মাদারীপুরের শিবচরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বিএনপি নেতা নিহত রাজধানীর ছয় রুটে একক কোম্পানির বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেত্রকোনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান নিহত রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হুতিদের ২০ হামলায় নিহত ১৭ যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩ শিশু ও শিক্ষক

পিসিবির ‘শুদ্ধি অভিযান’: প্রধান নির্বাচকের পদ হারাচ্ছেন আকিব জাভেদ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডে (পিসিবি) বড় ধরনের রদবদল ও ‘পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বোর্ডের প্রধান নির্বাচক ও সাবেক টেস্ট ক্রিকেটার আকিব জাভেদের চাকরি এখন চরম হুমকির মুখে। ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পিসিবির অভ্যন্তরীণ এই শুদ্ধি অভিযানের পরবর্তী বড় শিকার হতে যাচ্ছেন খোদ আকিব জাভেদই।

সম্প্রতি ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়ের পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হেডিংলিতে ইনিংস ও ১০৩ রান এবং লর্ডসে ১৯৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে টেস্ট সিরিজ খোয়ায় পাকিস্তান। এই বিপর্যয়কর পারফরম্যান্সের পর সিরিজ চলাকালেই মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক ও সালমান আলী আগার মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের দেশে ফেরত পাঠায় পিসিবি। একই সঙ্গে লাল বলের কোচের পদ থেকে সরফরাজ আহমেদকে বরখাস্ত করে সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পিটিআইকে পিসিবির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এই পরিবর্তনগুলো কোনো সাময়িক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি বোর্ডের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। সূত্রটির দাবি, রিজওয়ান ও ইমামকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পেছনে কেবল তাদের অফ-ফর্মই দায়ী ছিল না, বরং ড্রেসিংরুমের শৃঙ্খলা ও আচরণগত সমস্যাও বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া বাকি খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন লাল বলের কোচ মাইক হেসনের পরামর্শে, যিনি সাদা বলের ক্যাম্প থেকে নিজের পছন্দের খেলোয়াড়দের পরখ করতে চান।

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বোর্ডের ভেতরের কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আনতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। গুঞ্জন রয়েছে, চেয়ারম্যানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আকিব জাভেদকে এখন কেবল লাহোরের হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের ‘ডিরেক্টর ডেভেলপমেন্ট’ (পরিচালক-উন্নয়ন) পদের দায়িত্বেই সীমাবদ্ধ রাখা হতে পারে। প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। আকিবের পাশাপাশি নির্বাচক কমিটির আরেক প্রভাবশালী সদস্য ও সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হকও এর আগে নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে পিসিবি এখন বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইংল্যান্ড সফরে কোন যুক্তিতে বা কোন মানদণ্ডে ইমাম ও রিজওয়ানের মতো তারকাদের দলে নেওয়া হয়েছিল, তা স্পষ্ট করতে নির্বাচক ও উপদেষ্টা কমিটির প্রত্যেক সদস্যকে আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এতদিন ধরে পাকিস্তানি ক্রিকেটের দল নির্বাচন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে নেপথ্যে থেকে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখা আকিব জাভেদের সেই প্রভাব এবার বড় ধরনের ধাক্কা খেল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

পিসিবির ‘শুদ্ধি অভিযান’: প্রধান নির্বাচকের পদ হারাচ্ছেন আকিব জাভেদ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডে (পিসিবি) বড় ধরনের রদবদল ও ‘পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বোর্ডের প্রধান নির্বাচক ও সাবেক টেস্ট ক্রিকেটার আকিব জাভেদের চাকরি এখন চরম হুমকির মুখে। ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পিসিবির অভ্যন্তরীণ এই শুদ্ধি অভিযানের পরবর্তী বড় শিকার হতে যাচ্ছেন খোদ আকিব জাভেদই।

সম্প্রতি ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়ের পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হেডিংলিতে ইনিংস ও ১০৩ রান এবং লর্ডসে ১৯৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে টেস্ট সিরিজ খোয়ায় পাকিস্তান। এই বিপর্যয়কর পারফরম্যান্সের পর সিরিজ চলাকালেই মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক ও সালমান আলী আগার মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের দেশে ফেরত পাঠায় পিসিবি। একই সঙ্গে লাল বলের কোচের পদ থেকে সরফরাজ আহমেদকে বরখাস্ত করে সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পিটিআইকে পিসিবির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এই পরিবর্তনগুলো কোনো সাময়িক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি বোর্ডের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। সূত্রটির দাবি, রিজওয়ান ও ইমামকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পেছনে কেবল তাদের অফ-ফর্মই দায়ী ছিল না, বরং ড্রেসিংরুমের শৃঙ্খলা ও আচরণগত সমস্যাও বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া বাকি খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন লাল বলের কোচ মাইক হেসনের পরামর্শে, যিনি সাদা বলের ক্যাম্প থেকে নিজের পছন্দের খেলোয়াড়দের পরখ করতে চান।

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বোর্ডের ভেতরের কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আনতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। গুঞ্জন রয়েছে, চেয়ারম্যানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আকিব জাভেদকে এখন কেবল লাহোরের হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের ‘ডিরেক্টর ডেভেলপমেন্ট’ (পরিচালক-উন্নয়ন) পদের দায়িত্বেই সীমাবদ্ধ রাখা হতে পারে। প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। আকিবের পাশাপাশি নির্বাচক কমিটির আরেক প্রভাবশালী সদস্য ও সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হকও এর আগে নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে পিসিবি এখন বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইংল্যান্ড সফরে কোন যুক্তিতে বা কোন মানদণ্ডে ইমাম ও রিজওয়ানের মতো তারকাদের দলে নেওয়া হয়েছিল, তা স্পষ্ট করতে নির্বাচক ও উপদেষ্টা কমিটির প্রত্যেক সদস্যকে আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এতদিন ধরে পাকিস্তানি ক্রিকেটের দল নির্বাচন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে নেপথ্যে থেকে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখা আকিব জাভেদের সেই প্রভাব এবার বড় ধরনের ধাক্কা খেল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin