ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাটগ্রামের উন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন সংসদ সদস্য রাজীব প্রধান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ইশরাকের পদত্যাগের নির্দেশ: ‘নাই’ শব্দের সূত্র ধরে যেভাবে নিশ্চিত হয় খবরটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী সরকার: আমানউল্লাহ আমান অর্থপাচার মামলায় গ্রেপ্তার ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ কুমার পিএসজির বিপক্ষে বার্সার স্কোয়াডে ১৮ বছরের বিস্ময় বালক ক্যাম্পোস ভোলায় প্রাথমিক শিক্ষক সম্মেলন ও গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত টাইগার শ্রফের ওপর হামলার জেরে সালমান খানের নিরাপত্তা বাড়াল পুলিশ ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন ইয়েমেনে সরকারি শিবিরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৫৩

রাঙ্গাবালীতে পর্যটনকেন্দ্রের বালু তোলার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র চর হেয়ার থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সাইদুল প্যাদা রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে চর হেয়ারের সমুদ্রসৈকত থেকে বালু তুলে নিজের মাছের ঘেরের বাঁধ নির্মাণ ও বালু বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সম্প্রতি পাওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, চর হেয়ারের সৈকতের বালুচর থেকে ট্রলারে করে বালু তোলা হচ্ছে। ট্রলারের স্টাফ মঞ্জু বিশ্বাসসহ কয়েকজন শ্রমিক এই কাজে নিয়োজিত ছিলেন। একটি ট্রলার বালুভর্তি হওয়ার পর সেখানে আরেকটি ট্রলার নোঙর করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রলারের স্টাফ মঞ্জু বিশ্বাস প্রথমে বলেন, "সাইদুল মেম্বারের মাছের ঘেরে বাঁধ নির্মাণের জন্য আমরা বালু নিয়েছি। যে জায়গা থেকে বালু নেওয়া হয়েছে, সেটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। বালু নেওয়ায় কোনো সমস্যা হয়নি।" তবে পরবর্তীতে তিনি বক্তব্য বদলে দাবি করেন, মাছের ঘের নয়, বরং গরুর ঘর তৈরির জন্য এই বালু নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বালু বিক্রির অভিযোগটি তিনি অস্বীকার করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাইদুল প্যাদা ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর দলীয় ক্ষমতার জোরে তিনি এলাকার নিরীহ মানুষকে মারধর ও হয়রানিসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া গত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর যৌথবাহিনীর ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ রাঙ্গাবালী থানা-পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন সাইদুল। তবে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর দাবি, আটকের কয়েক ঘণ্টা পরই মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে মুক্তি পান তিনি।

বালু উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাইদুল প্যাদার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য না করে বলেন, "সন্ধ্যায় এসে আপনার সঙ্গে দেখা করব ভাই।" পরবর্তীতে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে চরমোন্তাজ বিট কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, তিনি সাইদুল মেম্বারের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে কথা বলেছেন এবং সাইদুল বালু নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান এই বন কর্মকর্তা।

অন্যদিকে, রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হাসান বলেন, "আমি ছুটিতে আছি। ২৫ তারিখ অফিস করব। কোনো বিষয় সম্পর্কে না জেনে আমি কিছু বলতে পারি না। আমি বিষয়টি জেনে পরে বলব।"

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

রাঙ্গাবালীতে পর্যটনকেন্দ্রের বালু তোলার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র চর হেয়ার থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সাইদুল প্যাদা রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে চর হেয়ারের সমুদ্রসৈকত থেকে বালু তুলে নিজের মাছের ঘেরের বাঁধ নির্মাণ ও বালু বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সম্প্রতি পাওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, চর হেয়ারের সৈকতের বালুচর থেকে ট্রলারে করে বালু তোলা হচ্ছে। ট্রলারের স্টাফ মঞ্জু বিশ্বাসসহ কয়েকজন শ্রমিক এই কাজে নিয়োজিত ছিলেন। একটি ট্রলার বালুভর্তি হওয়ার পর সেখানে আরেকটি ট্রলার নোঙর করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রলারের স্টাফ মঞ্জু বিশ্বাস প্রথমে বলেন, "সাইদুল মেম্বারের মাছের ঘেরে বাঁধ নির্মাণের জন্য আমরা বালু নিয়েছি। যে জায়গা থেকে বালু নেওয়া হয়েছে, সেটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। বালু নেওয়ায় কোনো সমস্যা হয়নি।" তবে পরবর্তীতে তিনি বক্তব্য বদলে দাবি করেন, মাছের ঘের নয়, বরং গরুর ঘর তৈরির জন্য এই বালু নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বালু বিক্রির অভিযোগটি তিনি অস্বীকার করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাইদুল প্যাদা ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর দলীয় ক্ষমতার জোরে তিনি এলাকার নিরীহ মানুষকে মারধর ও হয়রানিসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া গত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর যৌথবাহিনীর ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ রাঙ্গাবালী থানা-পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন সাইদুল। তবে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর দাবি, আটকের কয়েক ঘণ্টা পরই মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে মুক্তি পান তিনি।

বালু উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাইদুল প্যাদার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য না করে বলেন, "সন্ধ্যায় এসে আপনার সঙ্গে দেখা করব ভাই।" পরবর্তীতে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে চরমোন্তাজ বিট কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, তিনি সাইদুল মেম্বারের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে কথা বলেছেন এবং সাইদুল বালু নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান এই বন কর্মকর্তা।

অন্যদিকে, রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হাসান বলেন, "আমি ছুটিতে আছি। ২৫ তারিখ অফিস করব। কোনো বিষয় সম্পর্কে না জেনে আমি কিছু বলতে পারি না। আমি বিষয়টি জেনে পরে বলব।"

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh