ফরিদপুরে কালী মন্দিরে চুরি: কষ্টি পাথরের প্রতিমা ও স্বর্ণালঙ্কার উধাও
- আপডেট সময় : ০৪:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহাসিক পুরাতন কালী বাড়ি থেকে মূল্যবান কষ্টি পাথরের কালী প্রতিমা ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত রাত থেকে রবিবার ভোর পৌনে ছয়টার মধ্যে এই চুরির ঘটনাটি ঘটে। মন্দিরটি ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ১৮ শতাংশ জমির ওপর ১৯০৩ সালে নির্মিত একটি প্রাচীন স্থাপনা।
মন্দিরের বর্তমান পুরোহিত দেবী প্রসাদ চক্রবর্তী জানান, চুরি হওয়া প্রতিমাটি ছিল ৪০ কেজি ওজনের শ্বেতপাথরের শিবমূর্তির ওপর বসানো একটি কষ্টি পাথরের কালী প্রতিমা। চোরেরা মূল শিবমূর্তিটি রেখে অন্তত ২০ কেজি ওজনের কালী প্রতিমাটি নিয়ে গেছে। এছাড়াও মন্দিরে থাকা ৭ থেকে ৮ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, পিতলের বিষ্ণু, রাধাকৃষ্ণ ও মনসা মূর্তি এবং মহাদেবের লিঙ্গের সঙ্গে পেঁচানো ৮ থেকে ১০ ভরি ওজনের একটি রূপার সাপ চুরি হয়েছে।
মন্দির কমিটির সভাপতি কুশল চক্রবর্তী জানান, সকালে মন্দিরে প্রতিমা না দেখে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে কালি মন্দিরের পাশে পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর মহাদেবের মূর্তির অংশ এবং কালী মাতার পায়ের পাতার অংশবিশেষ পাওয়া গেছে। মন্দিরের সেবায়েতের ভাতিজা কৌশিক চক্রবর্তী জানিয়েছেন, মন্দিরের সিসি ক্যামেরাগুলো অকেজো ছিল। মন্দিরটিতে প্রবেশের জন্য পূর্ব দিকে কলাপসিবল গেটসহ কাঠের দরজা এবং লোহার শাটার ছিল, যার চারটি তালা ভেঙে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে।
ঘটনার পর রবিবার দুপুরে মন্দির কমিটির সভাপতি কুশল চক্রবর্তী ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী এবং কোতয়ালী থানার ওসি মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, চোরচক্রকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে রবিবার ভোর পৌনে ছয়টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
কষ্টি পাথরের কালি প্রতিমাসহ গায়ে থাকা বিভিন্ন প্রকার ৭/৮ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার, পিতলের ছোট ছোট বিষ্ণু, রাধাকৃষ্ণ, মনসা মূর্তি, মহাদেবের লিঙ্গের সাথে পেচানো রূপার আনুমানিক ৮/১০ ভরি ওজনের একটি সাপও চুরি হয়েছে।


























