ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন রবিউল ইসলাম নয়ন চট্টগ্রাম পতেঙ্গায় ৫ লক্ষ টাকার চোরাই কয়লা জব্দ সোনাগাজী পৌরসভার কোরবানি বর্জ্য ফেলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কুমিল্লায় তদন্তে আসা পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ৮০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার বরুড়ায় ৬ বছরের নিষ্পাপ শিশুকে ধর্ষণ ঘৃণ্য অপরাধী এখনও পলাতক নওগাঁ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক ডিবি পুলিশের অভিযানে মিঠাপুকুরে ইয়াবা সহ ২ মাদক ব‍্যবসায়ী আটক রংপুরে থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে বেগমগঞ্জে আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

ঢাকা কাওরান বাজারে পুলিশের সঙ্গে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানী ঢাকা কারওরান বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্য ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, আন্দোলন কারী ব্যবসায়ীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

০৪ জানুয়ারী রবিবার দুপুরে কারওয়ান বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে।

কয়েক দফা দাবি নিয়ে কারওয়ান বাজার মোড়ে জড়ো হন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।

এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে, টিয়ার গ্যাস ও ছোড়া হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে আন্দোলন কারীরা।

ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

সূত্রে জানা যায়, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার “এনইআইআর” ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তিসহ কয়েক দফা দাবিতে রবিবার পরিবার সহ অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)।

একই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশের সব মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেয় সংগঠনটি।

ঘোষণা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারী রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন, এতে বসুন্ধরা সিটি শপিং মল থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত যান চলাচল ব্যাহত হয়, পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ প্রথম দফায় লাঠিপেটা করে ব্যবসায়ীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়, এতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

এরপর দুপুর ১২টার দিকে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ আবার সড়কে এসে বসে পড়েন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ, পরে ফের লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়, এ সময় কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঢাকা কাওরান বাজারে পুলিশের সঙ্গে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানী ঢাকা কারওরান বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্য ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, আন্দোলন কারী ব্যবসায়ীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

০৪ জানুয়ারী রবিবার দুপুরে কারওয়ান বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে।

কয়েক দফা দাবি নিয়ে কারওয়ান বাজার মোড়ে জড়ো হন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।

এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে, টিয়ার গ্যাস ও ছোড়া হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে আন্দোলন কারীরা।

ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

সূত্রে জানা যায়, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার “এনইআইআর” ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তিসহ কয়েক দফা দাবিতে রবিবার পরিবার সহ অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)।

একই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশের সব মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেয় সংগঠনটি।

ঘোষণা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারী রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন, এতে বসুন্ধরা সিটি শপিং মল থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত যান চলাচল ব্যাহত হয়, পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ প্রথম দফায় লাঠিপেটা করে ব্যবসায়ীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়, এতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

এরপর দুপুর ১২টার দিকে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ আবার সড়কে এসে বসে পড়েন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ, পরে ফের লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়, এ সময় কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।