ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের কোনো অভয়ারণ্য থাকবে না, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নোয়াখালীতে শেখ হাসিনা কে গালির প্রতিক্রিয়ায় এনসিপি নেতাকে জনতার গণধোলাই ঠাকুরগাঁওয়ে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী নিখোঁজ বেগমগঞ্জে যুবককে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ দুধিয়াবাড়ি এলাকায় রেললাইনের পাশে যুবকের মাথাকাটা মরদেহ, পকেটে মিললো চিরকুট দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে পিতা ও পুত্র আহত নেত্রকোণায় জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উদযাপন খিলগাঁওয়ে দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ভোলায় গৃহবধূকে ধর্ষণ করতে গিয়ে বিশেষ অঙ্গ হারাতে বসেছেন যুবক মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

রংপুরে ডিবি পরিচয়ে কৃষককে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি

হীমেল কুমার মিত্রঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৩ ২১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মইদুল ইসলাম সোনা (৪০) নামে এক কৃষককে বাসা থেকে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার ৬ দিন পার হলেও পুলিশ মামলা রেকর্ড করেনি বলে অভিযোগ স্বজনদের।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ এপ্রিল রাত প্রায় ১টার দিকে গঙ্গাচড়ার আলমবিদিতর ইউনিয়নের চওড়াপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে কৃষক মইদুলের বাড়িতে যান ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ৭/৮জন। এ সময় তারা মইদুলের হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তার স্ত্রী সাথী বেগম গ্রেফতারের কারণ জানতে চাইলে তাকে পিটিয়ে আহত করে কথিত ডিবি পুলিশের লোকজন।

ঘটনার পর মইদুলের বাবা নুর ইসলাম স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম ও চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানান। ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম অপহৃতের বাসায় যান। পরে তার খোঁজে আলমবিদিতর খানাটারী গ্রামের সুরুজ মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। রাতে সুরুজ মোবাইল ফোনে অপহৃতের বাবা নুর ইসলামকে ডেকে নিয়ে তার ছেলের মুক্তির জন্য পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। তাৎক্ষণিক ওই পরিমাণ টাকা না থাকায় কিছু টাকা সুরুজের হাতে দেন নুর ইসলাম। এ সময় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে অপহৃত মইদুলকে উদ্ধারের কথা জানান সুরুজ। কিছু সময় পর সুরুজ মোবাইল ফোনে নুর ইসলামকে পার্শ্ববর্তী নোহালী ইউনিয়নের এক স্থানে যেতে বলেন। নুর ইসলাম তার ভাতিজা ও ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ওই স্থানে গিয়ে মইদুলকে আহত অবস্থায় রাস্তায় বসে থাকতে দেখেন।

এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গঙ্গাচড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন নুর ইসলাম। কিন্তু ৬ দিন ধরে গঙ্গাচড়া থানার ওসি লিখিত অভিযোগ এজাহার হিসেবে রেকর্ড না করে নানা টালবাহানা শুরু করেন বলে অভিযোগ তার স্বজনদের।

এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া থানার ওসি দুলাল হোসেন জানান, একটু সমস্যা ছিল, ১ পুলিশের সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় সমস্যা হয়েছে। মামলাটি দ্রুত রেকর্ড করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রংপুরে ডিবি পরিচয়ে কৃষককে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি

আপডেট সময় : ০৮:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৩
print news

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মইদুল ইসলাম সোনা (৪০) নামে এক কৃষককে বাসা থেকে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার ৬ দিন পার হলেও পুলিশ মামলা রেকর্ড করেনি বলে অভিযোগ স্বজনদের।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ এপ্রিল রাত প্রায় ১টার দিকে গঙ্গাচড়ার আলমবিদিতর ইউনিয়নের চওড়াপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে কৃষক মইদুলের বাড়িতে যান ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ৭/৮জন। এ সময় তারা মইদুলের হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তার স্ত্রী সাথী বেগম গ্রেফতারের কারণ জানতে চাইলে তাকে পিটিয়ে আহত করে কথিত ডিবি পুলিশের লোকজন।

ঘটনার পর মইদুলের বাবা নুর ইসলাম স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম ও চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানান। ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম অপহৃতের বাসায় যান। পরে তার খোঁজে আলমবিদিতর খানাটারী গ্রামের সুরুজ মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। রাতে সুরুজ মোবাইল ফোনে অপহৃতের বাবা নুর ইসলামকে ডেকে নিয়ে তার ছেলের মুক্তির জন্য পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। তাৎক্ষণিক ওই পরিমাণ টাকা না থাকায় কিছু টাকা সুরুজের হাতে দেন নুর ইসলাম। এ সময় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে অপহৃত মইদুলকে উদ্ধারের কথা জানান সুরুজ। কিছু সময় পর সুরুজ মোবাইল ফোনে নুর ইসলামকে পার্শ্ববর্তী নোহালী ইউনিয়নের এক স্থানে যেতে বলেন। নুর ইসলাম তার ভাতিজা ও ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ওই স্থানে গিয়ে মইদুলকে আহত অবস্থায় রাস্তায় বসে থাকতে দেখেন।

এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গঙ্গাচড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন নুর ইসলাম। কিন্তু ৬ দিন ধরে গঙ্গাচড়া থানার ওসি লিখিত অভিযোগ এজাহার হিসেবে রেকর্ড না করে নানা টালবাহানা শুরু করেন বলে অভিযোগ তার স্বজনদের।

এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া থানার ওসি দুলাল হোসেন জানান, একটু সমস্যা ছিল, ১ পুলিশের সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় সমস্যা হয়েছে। মামলাটি দ্রুত রেকর্ড করা হবে।