বেনাপোলে এনসিপি মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা
- আপডেট সময় : ১২:৪৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

যখন সময় ডেস্ক রিপোর্ট:
যশোর জেলা স্থলবন্দর বেনাপোলে জাতীয় নাগরিক পার্টি “এনসিপি” এর মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর গাড়ি বহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে।
৩ জুন বুধবার দুপুর ১টায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এনসিপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামলায় অন্তত ৪ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, আহতদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রশক্তি নেতা খান মিফতাহুল মোস্তাফিজ অমিত, তাসকিন আহমেদ তাজিম এবং যুবশক্তি নেতা রুপম আহসান অর্নব, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, তবে তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এনসিপি দলীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেনাপোল সফরে ছিলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ জুয়েল গণমাধ্যমকে বলেন, পুশ ইনের চেষ্টার প্রতিবাদে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর নেতৃত্বে এনসিপির নেতা কর্মীরা এদিন সাদিপুর সীমান্ত পরিদর্শন করেন।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাদিপুর এলাকায় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তাঁরা মতবিনিময় ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সফরকালে বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে বাজার এলাকায় পৌঁছালে তার বহর লক্ষ্য করে আকস্মিক ভাবে হামলা চালানো হয়, হামলার সময় বহরে থাকা গাড়ি গুলোকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলাকারীরা এ সময় ডিমও নিক্ষেপ করে।
এনসিপির কয়েকজন নেতা বলেন, ছাত্রদলের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে,
তবে হামলার সময় গাড়িতে থাকা এনসিপির মুখ্য সংগঠক “উত্তরাঞ্চল” নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, যুগ্ম সদস্য সচিব ফরিদুল হক-সহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা নিরাপদে রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দলটি, হামলার পরপরই ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নেন, তবে কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, হামলার পেছনে কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে বহরে থাকা এনসিপি নেতারা বলেছেন হামলার সাথে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদলের স্থানীয় একটি গ্রূপ জড়িত তবে কোন নাম বলেনি নেতৃবৃন্দ।




















