বিভাগীয় শহর রংপুর হলেও রেলস্টেশনটি ‘বি’ গ্রেডের
- আপডেট সময় : ০২:৫৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:
বর্ষাকাল এলেই বিড়ম্বনা বাড়ে রংপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফর্মে অপেক্ষারত যাত্রীদের। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে একাকার হয়ে যায় প্লাটফর্মের বারান্দা। টিনের ছাউনি ফুটো হওয়াতে বৃষ্টির পানি পড়ে অঝোরে। এতে কাঁদাপানিতে পিচ্ছিল প্লাটফর্মে যাত্রী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সঙ্গে ঘটছে পা পিছলে পড়ার ঘটনাও।
আজ (২৬ এপ্রিল) রবিবার সকালে বৃষ্টির সময় রংপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে এমন বিড়ম্বনার চিত্র দেখা যায়।
রংপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ে কোথাও যাওয়ার জন্য প্ল্যাটফর্মে এসে অপেক্ষা করেন যাত্রীরা। তবে অপেক্ষার ওই সময়টাতে বৃষ্টি হলেই মুশকিল। শেডের বড় বড় ছিদ্র দিয়ে পড়া বৃষ্টির পানিতে একাকার হয়ে যায় পুরো প্ল্যাটফর্ম। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
প্লাটফর্মের ছাউনির সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতে প্লাটফর্মের বারান্দায় পানি পড়তে থাকে। এতে ট্রেনের জন্য অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের পড়তে হয় চরম দুর্ভোগে। এই প্লাটফর্মে যাত্রী সাধারণের বসার জন্য এমনিতেই স্থান সংকুলান হয় না। এ কারণে বৃষ্টি হলে যাত্রীরা পড়ে নানান রকম বিড়ম্বনায়।
রংপুরের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, রংপুরবাসীর দীর্ঘদিনের নানা দাবি থাকা সত্ত্বেও রেল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা অত্যন্ত হতাশাজনক।
রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব পলাশ কান্তি নাগ জানান, রেল কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয় বরাবরই উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা মনে করি যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের জন্য রেলকে ঢেলে সাজানো উচিত। আমরা আর বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকতে চাই না। দ্রুত রংপুর রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার করে আধুনিকায়ন করা এখন সময়ের দাবি।
রংপুর রেলওয়ে স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, আমরা সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি, দ্রুতই সংস্কার কার্যক্রম শুরু হবে।
উল্লেখ্য, ১৮৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত রংপুর রেলওয়ে স্টেশনে একবার মাত্র দায়সারাভাবে উন্নয়ন কাজ হয়েছিল ১৯৪৪ সালে। এরপর ৮০ বছর পেরিয়ে গেলেও বিভাগীয় শহর হিসেবে রংপুরের এই স্টেশনটির দৃশ্যমান আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। বিভাগীয় শহর রংপুর হলেও এই রেলস্টেশনটি ‘বি’ গ্রেডের।



























