ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা গেন্ডারিয়াতে রহস্য জনক যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫৫ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লা জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা দিনাজপুরে নারী ও শিশু কন্যার প্রতি যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মহিলা পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ দিনাজপুরে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রেস ব্রিফিং দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন দালালদের খপ্পরে দিশেহারা রোগী রংপুরে বারো আউলিয়া এলাকায় আশানুরের গরুর আবাসিক হোটেল রংপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক-বালিকা ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চিরবিদায় নিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সহযোদ্ধা ও পরিবারের মাঝে শোকের ছায়া

রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়তে বর্ণিল আয়োজন

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ৭৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানী ঢাকাতে ঢোল-বাদ্যের তালে আর রঙিন মোটিফের বর্ণিল আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষের বৈশাখী শোভাযাত্রা। এ শোভা যাত্রায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক সহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশ গ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে লেগেছে উৎসবের রং।

১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এই শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং কল্যাণময় আগামীর প্রত্যাশায় আয়োজিত এই মিছিলে অংশ নিতে কাকডাকা ভোর থেকেই ক্যাম্পাস এলাকায় নেমেছে মানুষের ঢল।

সকাল ৮টা থেকেই চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে জড়ো হতে শুরু করেন উৎসবপ্রিয় মানুষ। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হয়ে এই আনন্দ মিছিলে যোগ দেন। শোভাযাত্রায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করছেন ২০০ জন শিক্ষার্থী। সেই সঙ্গে ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর ঢাক-ঢোলের আওয়াজ পুরো ক্যাম্পাস এলাকায় এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে।

বরাবরের মতো এবারও শোভাযাত্রায় বাংলার লোকজ ঐতিহ্য ও স্বকীয়তাকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরা হয়েছে। এবারের শোভাযাত্রায় বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে পাঁচটি প্রধান মোটিফ মোরগ, বেহালা বা দোতারা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই মোটিফগুলো যথাক্রমে শক্তি, সৃজনশীলতা, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বাঁশ, কাঠ ও রঙিন কাগজে তৈরি বিশাল আকৃতির বাঘ, হাতি এবং মা-শিশুর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রার নান্দনিকতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

নববর্ষ উদযাপনে কেবল শোভাযাত্রাই নয়, চারুকলা অনুষদে আয়োজন করা হয়েছে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। চৈত্র সংক্রান্তির দিন বিকেল থেকেই বকুলতলায় লোকসংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে পুরোনো বছরকে বিদায় জানানো হয়।

উৎসবের ধারাবাহিকতায় ১৫ ও ১৬ এপ্রিল রাতে চারুকলায় “বাগদত্তা” ও “দেবী সুলতানা” শীর্ষক ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হওয়ার কথা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়তে বর্ণিল আয়োজন

আপডেট সময় : ১০:৫৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
print news

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানী ঢাকাতে ঢোল-বাদ্যের তালে আর রঙিন মোটিফের বর্ণিল আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষের বৈশাখী শোভাযাত্রা। এ শোভা যাত্রায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক সহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশ গ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে লেগেছে উৎসবের রং।

১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এই শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং কল্যাণময় আগামীর প্রত্যাশায় আয়োজিত এই মিছিলে অংশ নিতে কাকডাকা ভোর থেকেই ক্যাম্পাস এলাকায় নেমেছে মানুষের ঢল।

সকাল ৮টা থেকেই চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে জড়ো হতে শুরু করেন উৎসবপ্রিয় মানুষ। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হয়ে এই আনন্দ মিছিলে যোগ দেন। শোভাযাত্রায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করছেন ২০০ জন শিক্ষার্থী। সেই সঙ্গে ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর ঢাক-ঢোলের আওয়াজ পুরো ক্যাম্পাস এলাকায় এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে।

বরাবরের মতো এবারও শোভাযাত্রায় বাংলার লোকজ ঐতিহ্য ও স্বকীয়তাকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরা হয়েছে। এবারের শোভাযাত্রায় বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে পাঁচটি প্রধান মোটিফ মোরগ, বেহালা বা দোতারা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই মোটিফগুলো যথাক্রমে শক্তি, সৃজনশীলতা, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বাঁশ, কাঠ ও রঙিন কাগজে তৈরি বিশাল আকৃতির বাঘ, হাতি এবং মা-শিশুর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রার নান্দনিকতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

নববর্ষ উদযাপনে কেবল শোভাযাত্রাই নয়, চারুকলা অনুষদে আয়োজন করা হয়েছে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। চৈত্র সংক্রান্তির দিন বিকেল থেকেই বকুলতলায় লোকসংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে পুরোনো বছরকে বিদায় জানানো হয়।

উৎসবের ধারাবাহিকতায় ১৫ ও ১৬ এপ্রিল রাতে চারুকলায় “বাগদত্তা” ও “দেবী সুলতানা” শীর্ষক ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হওয়ার কথা রয়েছে।