বন্দরে গ্যাসের আগুনে পুড়ছে জীবন উচ্চমূল্যের গ্যাসে নাভিশ্বাস নারায়ণগঞ্জবাসীর
- আপডেট সময় : ১২:৫৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ১৫০ বার পড়া হয়েছে

আতাউর রহমান বন্দর প্রতিনিধি।
নারায়ণগঞ্জ বন্দরে গ্যাসের আগুন এখন আর চুলায় সীমাবদ্ধ নেই—তা ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে। রান্নাঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় গ্যাস আজ বিলাসপণ্যে রূপ নিয়েছে। সরকারি নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করেই এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বন্দরে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করছে অতিরিক্ত দামে, আর সেই আগুনে পুড়ছে খেটে খাওয়া মানুষ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকায়, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি। অনেক দোকানে নেই কোনো রসিদ, নেই দামের তালিকা। ক্রেতারা প্রতিবাদ করলে মিলছে ধমক।
বন্দর এলাকার গৃহিণী শিরিন আক্তার বলেন,
“আগে মাসে গ্যাসে খরচ হতো নির্দিষ্ট পরিমাণ। এখন এক সিলিন্ডার কিনতেই সংসারের বাজেট এলোমেলো হয়ে যায়। রান্না করবো নাকি বাচ্চার পড়াশোনার খরচ চালাবো—বুঝে উঠতে পারছি না।”
শুধু বাসাবাড়ি নয়, গ্যাসের এই বাড়তি দামের প্রভাব পড়েছে হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ও। অনেক ক্ষুদ্র খাবারের দোকান বাধ্য হয়ে দাম বাড়িয়েছে, ফলে ক্রেতা কমছে, আয় কমছে, বাড়ছে ক্ষোভ।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল বলছে, নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় গ্যাস সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের চোখের আড়ালেই চলছে এই মূল্য নৈরাজ্য।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পিঠা ও মুড়ি বিক্রেতা জামান বলেন আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। গ্যাস ব্যবহার করে আমার সব খাবার প্রস্তুত করতে হয়।গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে আমাকেও খাবারের দাম বৃদ্ধি করতে হয়েছে।যার ফলে ক্রেতা কমেছে, বেড়েছে ভোগান্তি।
প্রতিদিন গ্যাসের চুলায় আগুন জ্বলছে, আর সেই আগুনেই পুড়ছে বন্দরের মানুষের জীবন।
বন্দরের মানুষ খুব দ্রুতই এর সমাধান চায়।





















