মহেশখালীর হোয়ানকে রোহিঙ্গা নারী বিয়ের অভিযোগ উঠেছে
- আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৪১১ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের মহেশখালীতে রোহিঙ্গা নারী বিয়ে করে এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি করেছে স্থানীয় এক ব্যক্তি। এ রোহিঙ্গা নারীর নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে পড়ে পাশ্ববর্তী সাধারণ মানুষ।
গতকাল ১৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার), দুপুর সাড়ে ১২ টার সময় সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব হরিয়ারছড়া গ্রামে স্থায়ী বাসিন্দা জনৈক মৃত মোস্তাক আহমদের ছেলে বাদশা মিয়া এক রোহিঙ্গা মধ্য বয়স্ক নারীকে বিয়ে করেছে, ঐ নারীর ৩ সন্তানও রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে স্বর্ণ চুরি করে পালিয়ে এসে হোয়ানক পানিরছড়া গ্রামে অবস্থান নেয়। পরে ভিন্ন কৌশলে বাদশা মিয়াকে বিয়ে করে, বিয়ের পর থেকে অশ্লীলতা শুরু করে। কেউ কিছু জিঞ্জাসা করতে না করতে বাংলাদেশী নামধরে গালাগাজি করে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আপন ভাতিজা- শাহাব উদ্দিন জানান, বাদশা মিয়া একজন মধ্য বয়স্ক ব্যক্তি, তার ছেলে-মেয়ে সবাইকে বিয়ে করিয়েছে, এর মধ্যে তার বিয়ের প্রয়োজন বলে মনে হয় না। তবুও তার বিয়ে করাকে স্বীকৃতি দেয়ার চেষ্টা করে ছিলাম। কিন্তু তার বউয়ে রোহিঙ্গা হওয়াতে আমরা মেনে নিতে পারছি না।
তিনি আরও জানান, ঐ রোহিঙ্গা মহিলা বিয়ের পরেও একাধিক ব্যক্তির সাথে অবৈধ সম্পর্কের সাথে জড়িত, ইদানিং দেখা যাচ্ছে রাতে অপরিচিত কিছু লোক এলাকায় প্রবেশ করে। কিছু জিঞ্জাসা করলে বাদশা মিয়ার বউয়ের পরিচিত লোক বলে চলে যায়। এতে আমাদের সন্দেহ হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, বাদশা মিয়া ঐ মহিলাকে বিয়ের পরে, তার আগে ছেলে-মেয়েদের সাথে খারাপ আচার আচরণ করে, তার ছেলে শফিউল আলমকে ঘর থেকে বের করে দেয়। পরে স্থানীয় মেম্বার জাহাঙ্গীর সালিশির মাধ্যমে মিমাংসা করতে চাইলেও সে মিমাংসায় বসতে চায় না।
হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য (২নং ওয়ার্ড) জাহাঙ্গীর আলম জানান, বাদশা মিয়ার বিয়ের কথা শুনে গ্রাম পুলিশ দ্বারা যাচাই করিয়ে নিশ্চিত হয়ছি যে, ঐ নারী রোহিঙ্গা, এর পরেও আমরা তার জন্ম সনদ ও ভোটার আইডি কার্ড চেকিং করার চেষ্টায় আছি।
সাধারণ জনগণ সরকারকে উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এতো নিরাপত্তা প্রহরী থাকার পরেও তারা কিভাবে ওখান থেকে বের হয়ে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে যায়। তাই অতি শিঘ্রই আমাদের এলাকা থেকে ঐ মহিলাকে প্রশাসনের হেফাজতে নেয়ার জোরদাবি।
























