ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা গেন্ডারিয়াতে রহস্য জনক যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫৫ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লা জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা দিনাজপুরে নারী ও শিশু কন্যার প্রতি যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মহিলা পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ দিনাজপুরে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রেস ব্রিফিং দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন দালালদের খপ্পরে দিশেহারা রোগী রংপুরে বারো আউলিয়া এলাকায় আশানুরের গরুর আবাসিক হোটেল রংপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক-বালিকা ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চিরবিদায় নিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সহযোদ্ধা ও পরিবারের মাঝে শোকের ছায়া

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
print news

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।