ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি ২৯ পরীক্ষার্থী প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ রূপগঞ্জে জমি বিরোধে বিধবার দোকানে ভাঙচুর, ৭টিতে তালা দেওয়ার অভিযোগ অনলাইন জুয়ায় টাকা হারিয়ে যুবকের আত্মহত্যা নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে তেলের সংকট ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মিলছে না জ্বালানি পরশুরামে স্কুল শিক্ষার্থী বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে মৃত্যু নওগাঁয় খাবারের প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আহত ৪, লুট ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও বাড়েনি গণপরিবহনের ভাড়া সুনামগঞ্জের বিদ্যুতের মেরামত করতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে চন্দ্রগন্জ থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত।

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
print news

হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ সড়কে সিএনজি ন্যায্য ভাড়া থাকলেও চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ ভাড়া ৩০ টাকা এবং চৌমুহনী–বাংলাবাজার ২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, রাস্তার অবস্থা ভালো থাকার পরও কেন্দুরবাগ পরবর্তী যেকোনো স্থানে নামলে জোরপূর্বক ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হকাস মার্কেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স, রেলগেট ও ব্যাংক রোড ডিভাইডার বন্ধ করার পর থেকে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা বা সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই চৌমুহনী–চন্দ্রগঞ্জ (ভায়া বাংলাবাজার) রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অঘোষিত ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ সর্বস্তরের জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।