ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের বসতঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে গাঁজা সেবনকারী ২ জন আসামী গ্রেফতার বাংলাদেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ: সংকট, বিচারহীনতা ও সমাজের নীরবতা নিয়ে বিশেষ সম্পাদকীয় সিরিজ পল্লবীতে ৮ বছর শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা নোয়াখালীর চাটখিলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ঢাকা ডিবি পুলিশর অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও ভুয়া ডিবি সহ গ্রেফতার-৪ কুমিল্লায় সাংবাদিকের ওপর হামলা কুমিল্লায় ডিবি পুলিশের ছদ্মবেশে অস্ত্র সহ ৮ ডাকাত গ্রেফতার হজ্ব যাত্রীদের সরাসরি সূর্যের আলো থেকে নিরাপদে থাকার অনুরোধ জানান ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ফুলবাড়ীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

দেশের ৪০ জেলায় যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ৫৩ নেতা

হীমেল কুমার মিত্র রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩৯৯ বার পড়া হয়েছে

দেশের ৪০ জেলায় যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ৫৩ নেতা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর চলমান আন্দোলনের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ‘শান্তি সমাবেশ’ কর্মসূচি পালন করে আসছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। রাজধানী, নগর, মহানগর এমন রাজনৈতিক কার্যক্রম এবার গাড়িয়ে একেবারে ইউনিয়নপর্যায়ে। নিজেদের সক্ষমতা জানান দিতে আগামী শনিবার সারা দেশের ইউনিয়নগুলোতে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্বে সমন্বয় করে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। আগামী শনিবার আওয়ামী লীগের ৫৩ জন কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ৪০ জেলায় যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। একই দিন সারা দেশে ইউনিয়নপর্যায়ে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সমাবেশ তৃণমূলে কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। ১ দিন পর বৈঠক করে একই দিন ‘শান্তি সমাবেশ’ করার সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ। রবিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। দলের নেতারা বলছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেক ষড়যন্ত্র হতে পারে। নির্বাচনের আগে কোনো অপশক্তি যেন রাজনৈতিক মাঠে পানি ঘোলা করতে না পারে সেজন্য তৃণমূলপর্যায় থেকে সতর্ক থাকবেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে ঝিমিয়ে থাকা ইউনিয়নপর্যায়ের চাঙা করতে এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে দলের এমন কৌশল ঠিক করা হয়েছে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন জানান, তৃণমূলের সঙ্গে এই যোগাযোগ দলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করবে। দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ, মান-অভিমান দূর করে দলকে চাঙা করবে। দলকে গতিশীল করবে, যা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবে।

তিনি আরো জানান, বিরোধীরা দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র করবে। কিন্তু আওয়ামী লীগের তৃণমূলপর্যায়ের নেতাকর্মীরা দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এসব ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করবেন। তবে বিএনপির কার্যক্রমের একই দিনে আওয়ামী লীগের সমাবেশ কার্যক্রম পাল্টাপাল্টিতে নারাজ আমিনুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত রবিবার সভা সূত্রে জানা গেছে, ১১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশের প্রতিটি জেলার ইউনিয়নপর্যায়ে একযোগে ‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও সহিংসতার প্রতিবাদে’ শান্তি সমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন দল। জেলার নেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সমাবেশে অংশ নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বেগম আখতার জাহান।

জয়পুরহাটে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। বগুড়ায় আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা। নওগাঁয় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাখাওয়াত হোসেন শফিক।

শান্তি সমাবেশ উপলক্ষে লালমনিরহাটের দায়িত্ব পেয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সফুরা বেগম রুমি। রংপুর যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া।

এ ছাড়া যেসব জেলা এবং নগরের নাম উল্লেখ করা হয়নি সেসব জেলায় স্থানীয় নেতারা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে ইউনিয়ন পর্যায়ের শান্তি সমাবেশ আয়োজন করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

দেশের ৪০ জেলায় যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ৫৩ নেতা

আপডেট সময় : ১১:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
print news

বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর চলমান আন্দোলনের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ‘শান্তি সমাবেশ’ কর্মসূচি পালন করে আসছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। রাজধানী, নগর, মহানগর এমন রাজনৈতিক কার্যক্রম এবার গাড়িয়ে একেবারে ইউনিয়নপর্যায়ে। নিজেদের সক্ষমতা জানান দিতে আগামী শনিবার সারা দেশের ইউনিয়নগুলোতে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্বে সমন্বয় করে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। আগামী শনিবার আওয়ামী লীগের ৫৩ জন কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ৪০ জেলায় যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। একই দিন সারা দেশে ইউনিয়নপর্যায়ে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সমাবেশ তৃণমূলে কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। ১ দিন পর বৈঠক করে একই দিন ‘শান্তি সমাবেশ’ করার সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ। রবিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। দলের নেতারা বলছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেক ষড়যন্ত্র হতে পারে। নির্বাচনের আগে কোনো অপশক্তি যেন রাজনৈতিক মাঠে পানি ঘোলা করতে না পারে সেজন্য তৃণমূলপর্যায় থেকে সতর্ক থাকবেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে ঝিমিয়ে থাকা ইউনিয়নপর্যায়ের চাঙা করতে এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে দলের এমন কৌশল ঠিক করা হয়েছে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন জানান, তৃণমূলের সঙ্গে এই যোগাযোগ দলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করবে। দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ, মান-অভিমান দূর করে দলকে চাঙা করবে। দলকে গতিশীল করবে, যা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবে।

তিনি আরো জানান, বিরোধীরা দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র করবে। কিন্তু আওয়ামী লীগের তৃণমূলপর্যায়ের নেতাকর্মীরা দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এসব ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করবেন। তবে বিএনপির কার্যক্রমের একই দিনে আওয়ামী লীগের সমাবেশ কার্যক্রম পাল্টাপাল্টিতে নারাজ আমিনুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত রবিবার সভা সূত্রে জানা গেছে, ১১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশের প্রতিটি জেলার ইউনিয়নপর্যায়ে একযোগে ‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও সহিংসতার প্রতিবাদে’ শান্তি সমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন দল। জেলার নেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সমাবেশে অংশ নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বেগম আখতার জাহান।

জয়পুরহাটে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। বগুড়ায় আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা। নওগাঁয় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাখাওয়াত হোসেন শফিক।

শান্তি সমাবেশ উপলক্ষে লালমনিরহাটের দায়িত্ব পেয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সফুরা বেগম রুমি। রংপুর যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া।

এ ছাড়া যেসব জেলা এবং নগরের নাম উল্লেখ করা হয়নি সেসব জেলায় স্থানীয় নেতারা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে ইউনিয়ন পর্যায়ের শান্তি সমাবেশ আয়োজন করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।