ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তারে বাড়ছে উদ্বেগ ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই ছাপানো বন্ধ, পরিবর্তন হচ্ছে প্রজ্ঞার প্রতীক মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের তারকা-সমর্থন, রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক অস্ত্র মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন, জনসমক্ষে না আসার কারণ নিরাপত্তা ঈদগাঁও থানা হাজত থেকে পালানো কিশোর পরদিন আটক দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রশংসিত তারেক রহমান, সামনে ৩ কঠিন পরীক্ষা জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: নিরাপত্তার শঙ্কায় ডিবিকে দেয়া হয়নি ডিভাইস নাটোরে ৩০ শিক্ষার্থীকে অনিরুদ্ধ আশরাফ ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান পাবনায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পরিচালক আটক অপ্রতিম হত্যা মামলায় ৪ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল

আসামে ১১০০ বাড়ি ও ১০ মসজিদ উচ্ছেদের ঘটনায় ওলামা অ্যালায়েন্সের নিন্দা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের আসাম রাজ্যে বাঙালি মুসলিমদের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ এবং মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী এবং সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান এই প্রতিবাদ জানান। তারা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের বসবাসের ইতিহাস বিবেচনা করে তাদের পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী বলেন, ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের নাগরিক অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি আসামের সাম্প্রতিক এই উচ্ছেদ অভিযানকে ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ধারাবাহিকতা হিসেবে অভিহিত করেন।

সংগঠনটির সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান উল্লেখ করেন, যদিও ভারত সরকার এই উচ্ছেদকে সরকারি ও বন বিভাগের জমি উদ্ধারের প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরছে, তবুও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের দীর্ঘদিনের বসবাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। তিনি উচ্ছেদ হওয়া মসজিদগুলোর বিষয়ে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর জোর দেন।

ওলামা অ্যালায়েন্সের মতে, কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু বানানো এবং তাদের জানমাল অনিরাপদ করে তোলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। তারা মন্তব্য করেন যে, ভারতীয় মুসলমানদের সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদানে কেন্দ্র সরকার ব্যর্থ হয়েছে। বিবৃতিতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

নেতৃবৃন্দ ভারতের সংবিধানে উল্লেখিত প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া আসামের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের নাগরিক অধিকার রক্ষায় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

আসামে ১১০০ বাড়ি ও ১০ মসজিদ উচ্ছেদের ঘটনায় ওলামা অ্যালায়েন্সের নিন্দা

আপডেট সময় : ০৫:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের আসাম রাজ্যে বাঙালি মুসলিমদের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ এবং মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী এবং সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান এই প্রতিবাদ জানান। তারা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের বসবাসের ইতিহাস বিবেচনা করে তাদের পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী বলেন, ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের নাগরিক অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি আসামের সাম্প্রতিক এই উচ্ছেদ অভিযানকে ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ধারাবাহিকতা হিসেবে অভিহিত করেন।

সংগঠনটির সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান উল্লেখ করেন, যদিও ভারত সরকার এই উচ্ছেদকে সরকারি ও বন বিভাগের জমি উদ্ধারের প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরছে, তবুও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের দীর্ঘদিনের বসবাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। তিনি উচ্ছেদ হওয়া মসজিদগুলোর বিষয়ে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর জোর দেন।

ওলামা অ্যালায়েন্সের মতে, কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু বানানো এবং তাদের জানমাল অনিরাপদ করে তোলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। তারা মন্তব্য করেন যে, ভারতীয় মুসলমানদের সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদানে কেন্দ্র সরকার ব্যর্থ হয়েছে। বিবৃতিতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

নেতৃবৃন্দ ভারতের সংবিধানে উল্লেখিত প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া আসামের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের নাগরিক অধিকার রক্ষায় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh