ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক অসন্তোষে স্বৈরাচারের অর্থায়নের পরিষ্কার তথ্য আছে: রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ শুক্রবার ঢাকায় আসছে আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ ভাঙার ঘটনায় নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্বেগ কুষ্টিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের ঘাট বাড়ল ইউপি নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কাজ করলে ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী আবারও তেহরান সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির কানাইঘাটে অটোরিকশার সিরিয়াল নিয়ে বিরোধে চালককে কুপিয়ে হত্যা দেশে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৫৯ ফেডারেশন কাপে পয়েন্ট হারালো মোহামেডান, জয় পেল কিংস ভাটারা এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে ডিবি অভিযান, আটক ৮৫

আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ ভাঙার ঘটনায় নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্বেগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের আসাম রাজ্যে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে বিপুলসংখ্যক মুসলিম পরিবার বাস্তুচ্যুত হওয়া এবং একাধিক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম সুবহানী ও মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এই উদ্বেগের কথা জানান।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় উল্লেখ করেন, প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী আসামের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাটে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে এক হাজারের বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলিম। একই অভিযানে একাধিক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা বলেন, কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষকে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেওয়া কিংবা ধর্মীয় উপাসনালয়ের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

ভূমি বা স্থাপনার মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তার নিষ্পত্তি স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত আইনি প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন নেতৃদ্বয়। তারা আরও বলেন, কোনো জনগোষ্ঠী যেন ধর্মীয় কিংবা ভাষাগত পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে মসজিদের মতো ধর্মীয় উপাসনালয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতি ও অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

নেতারা দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাকে অপরিহার্য বলে অভিহিত করেন। তারা সতর্ক করে বলেন, প্রতিবেশী কোনো দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তার বিরূপ প্রভাব গোটা অঞ্চলের সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতার ওপর পড়তে পারে।

বিবৃতির শেষে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর যথাযথ আইনি সুরক্ষা ও মানবিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা, মসজিদসহ ধর্মীয় স্থাপনার মর্যাদা রক্ষা এবং উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনার আহ্বান জানান। তারা আরও বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানুষের মৌলিক মর্যাদা সর্বত্র সমানভাবে সুরক্ষিত হওয়া উচিত। ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের স্বার্থে আসামের ঘটনায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা রাখবে—এটাই প্রত্যাশিত।

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৯: ২৭আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৯: ২৭

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ ভাঙার ঘটনায় নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৮:৩০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের আসাম রাজ্যে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে বিপুলসংখ্যক মুসলিম পরিবার বাস্তুচ্যুত হওয়া এবং একাধিক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম সুবহানী ও মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এই উদ্বেগের কথা জানান।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় উল্লেখ করেন, প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী আসামের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাটে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে এক হাজারের বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলিম। একই অভিযানে একাধিক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা বলেন, কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষকে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেওয়া কিংবা ধর্মীয় উপাসনালয়ের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

ভূমি বা স্থাপনার মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তার নিষ্পত্তি স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত আইনি প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন নেতৃদ্বয়। তারা আরও বলেন, কোনো জনগোষ্ঠী যেন ধর্মীয় কিংবা ভাষাগত পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে মসজিদের মতো ধর্মীয় উপাসনালয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতি ও অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

নেতারা দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাকে অপরিহার্য বলে অভিহিত করেন। তারা সতর্ক করে বলেন, প্রতিবেশী কোনো দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তার বিরূপ প্রভাব গোটা অঞ্চলের সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতার ওপর পড়তে পারে।

বিবৃতির শেষে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর যথাযথ আইনি সুরক্ষা ও মানবিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা, মসজিদসহ ধর্মীয় স্থাপনার মর্যাদা রক্ষা এবং উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনার আহ্বান জানান। তারা আরও বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানুষের মৌলিক মর্যাদা সর্বত্র সমানভাবে সুরক্ষিত হওয়া উচিত। ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের স্বার্থে আসামের ঘটনায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা রাখবে—এটাই প্রত্যাশিত।

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৯: ২৭আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৯: ২৭

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh