ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ ভাঙার ঘটনায় নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্বেগ কুষ্টিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের ঘাট বাড়ল ইউপি নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কাজ করলে ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী আবারও তেহরান সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির কানাইঘাটে অটোরিকশার সিরিয়াল নিয়ে বিরোধে চালককে কুপিয়ে হত্যা দেশে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৫৯ ফেডারেশন কাপে পয়েন্ট হারালো মোহামেডান, জয় পেল কিংস ভাটারা এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে ডিবি অভিযান, আটক ৮৫ ইউরোপে গুগল ক্লাউড বিভ্রাটে ব্যাহত ব্যাংকিং ও ডিজিটাল সেবা কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সীমান্তে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহরদাদ আখলাঘি: যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান তীব্র যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যেই সামরিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মেহরদাদ আখলাঘি কেতাবচি ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। ৬৮ বছর বয়সী আখলাঘিকে গতকাল রোববার ইরানের পার্লামেন্ট নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই ইরানের পার্লামেন্টের অধিবেশন অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে আখলাঘির মনোনয়নের পক্ষে ২৩৭ জন আইনপ্রণেতা ভোট দেন, আর বিপক্ষে ভোট দেন ১৫ জন। ফেব্রুয়ারির যুদ্ধের প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহসহ ইরানের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এরপর থেকে মজিদ ইবনে-রেজা সাময়িকভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এখন তিনি উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কাজ করবেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আখলাঘির মূল দক্ষতা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, কঠিন জ্বালানিচালিত রকেট ইঞ্জিন, অ্যারোস্পেস প্রযুক্তি ও সামরিক পণ্য উৎপাদনে। এর আগে তিনি শাহিদ বাঘেরি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রুপ, অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশন ও ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আখলাঘি ও তাঁর পরিচালিত এই সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকায়ও রয়েছেন।

ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট পত্রিকা ‘তাসনিম’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক দশকে ইরানের বেশ কিছু বড় ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উন্নয়ন প্রকল্পে আখলাঘি সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ইরানের বিখ্যাত ‘সেজিল’ ও ‘জুলফিকার’ সিরিজের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘আলমাস’ ক্ষেপণাস্ত্র ও গাইডেড বোমা ‘ইয়াসিন’-এর মতো নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম অস্ত্র তৈরিতে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল। এ ছাড়া সেমনানের ইমাম খোমেনি স্পেস সেন্টারের মহাকাশ যান ও গবেষণা রকেটের অবকাঠামো উন্নয়নেও আখলাঘি কাজ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের সামরিক শিল্প অবকাঠামো পুনর্গঠন ও সম্প্রসারণের মূল দায়িত্ব এখন আখলাঘির ওপর।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও এ–সম্পর্কিত সংস্থাগুলোতে আখলাঘির ৪২ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাগুলো আগেই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্তৃপক্ষ, প্রেসিডেন্ট এবং পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির অনুমোদন পেয়েছে। পার্লামেন্টে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কোনো দেশের ওপর আগ্রাসনকারী প্রথম পক্ষ হবে না। তবে যেকোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে দেশের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় শেষনিশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করবে।’

চলতি মাসের শুরুতে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আখলাঘির এই মনোনয়ন মূলত কৌশলগত অস্ত্র, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রযুক্তির গুণগত ও সংখ্যাগত বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তারই প্রতিফলন। যুক্তরাষ্ট্র বারবার দাবি করে আসছে, তারা ইরানের সামরিক উৎপাদন সক্ষমতার বেশির ভাগ ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে তেহরানের দাবি, মার্কিন বা ইসরায়েলি বোমার নাগালের বাইরেও তাদের পর্যাপ্ত আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা বহাল রয়েছে এবং যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে সেগুলো আরও উন্নত করা হচ্ছে।

গতকাল প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দেওয়া প্রথম বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দেন আখলাঘি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক ও জ্বালানি অবকাঠামোতে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা (মাদার অব অল বোম্বস) ফেলার হুমকির জবাবে আখলাঘি বলেন, ‘আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি এবং সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে আমাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’ আখলাঘি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এখন চিন্তা করতে হবে, কীভাবে তিনি এই অঞ্চল থেকে তাঁর বাহিনীকে বহাল তবিয়তে ফিরিয়ে নেবেন। তিনি যদি এখানে একটি বোমাও ফেলেন, তবে তাঁর কতজন সেনাকে কফিনে করে ফেরত নিতে হবে, তা তিনি নিজেই দেখতে পাবেন।

আখলাঘি বলেন, যুদ্ধ চলাকালে ও যুদ্ধ–পরবর্তী সামরিক প্রয়োজন ভালোভাবে বোঝার জন্য তিনি আইআরজিসির প্রধান জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদিসহ শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন। তাঁর অগ্রাধিকার থাকবে সামরিক শিল্পের দ্রুত বিকাশ, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উদীয়মান প্রযুক্তির সংযোজন এবং সশস্ত্র বাহিনীর কল্যাণ ও আন্তর্জাতিক সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহরদাদ আখলাঘি: যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৩:৫২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান তীব্র যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যেই সামরিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মেহরদাদ আখলাঘি কেতাবচি ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। ৬৮ বছর বয়সী আখলাঘিকে গতকাল রোববার ইরানের পার্লামেন্ট নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই ইরানের পার্লামেন্টের অধিবেশন অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে আখলাঘির মনোনয়নের পক্ষে ২৩৭ জন আইনপ্রণেতা ভোট দেন, আর বিপক্ষে ভোট দেন ১৫ জন। ফেব্রুয়ারির যুদ্ধের প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহসহ ইরানের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এরপর থেকে মজিদ ইবনে-রেজা সাময়িকভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এখন তিনি উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কাজ করবেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আখলাঘির মূল দক্ষতা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, কঠিন জ্বালানিচালিত রকেট ইঞ্জিন, অ্যারোস্পেস প্রযুক্তি ও সামরিক পণ্য উৎপাদনে। এর আগে তিনি শাহিদ বাঘেরি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রুপ, অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশন ও ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আখলাঘি ও তাঁর পরিচালিত এই সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকায়ও রয়েছেন।

ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট পত্রিকা ‘তাসনিম’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক দশকে ইরানের বেশ কিছু বড় ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উন্নয়ন প্রকল্পে আখলাঘি সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ইরানের বিখ্যাত ‘সেজিল’ ও ‘জুলফিকার’ সিরিজের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘আলমাস’ ক্ষেপণাস্ত্র ও গাইডেড বোমা ‘ইয়াসিন’-এর মতো নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম অস্ত্র তৈরিতে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল। এ ছাড়া সেমনানের ইমাম খোমেনি স্পেস সেন্টারের মহাকাশ যান ও গবেষণা রকেটের অবকাঠামো উন্নয়নেও আখলাঘি কাজ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের সামরিক শিল্প অবকাঠামো পুনর্গঠন ও সম্প্রসারণের মূল দায়িত্ব এখন আখলাঘির ওপর।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও এ–সম্পর্কিত সংস্থাগুলোতে আখলাঘির ৪২ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাগুলো আগেই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্তৃপক্ষ, প্রেসিডেন্ট এবং পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির অনুমোদন পেয়েছে। পার্লামেন্টে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কোনো দেশের ওপর আগ্রাসনকারী প্রথম পক্ষ হবে না। তবে যেকোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে দেশের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় শেষনিশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করবে।’

চলতি মাসের শুরুতে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আখলাঘির এই মনোনয়ন মূলত কৌশলগত অস্ত্র, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রযুক্তির গুণগত ও সংখ্যাগত বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তারই প্রতিফলন। যুক্তরাষ্ট্র বারবার দাবি করে আসছে, তারা ইরানের সামরিক উৎপাদন সক্ষমতার বেশির ভাগ ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে তেহরানের দাবি, মার্কিন বা ইসরায়েলি বোমার নাগালের বাইরেও তাদের পর্যাপ্ত আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা বহাল রয়েছে এবং যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে সেগুলো আরও উন্নত করা হচ্ছে।

গতকাল প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দেওয়া প্রথম বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দেন আখলাঘি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক ও জ্বালানি অবকাঠামোতে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা (মাদার অব অল বোম্বস) ফেলার হুমকির জবাবে আখলাঘি বলেন, ‘আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি এবং সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে আমাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’ আখলাঘি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এখন চিন্তা করতে হবে, কীভাবে তিনি এই অঞ্চল থেকে তাঁর বাহিনীকে বহাল তবিয়তে ফিরিয়ে নেবেন। তিনি যদি এখানে একটি বোমাও ফেলেন, তবে তাঁর কতজন সেনাকে কফিনে করে ফেরত নিতে হবে, তা তিনি নিজেই দেখতে পাবেন।

আখলাঘি বলেন, যুদ্ধ চলাকালে ও যুদ্ধ–পরবর্তী সামরিক প্রয়োজন ভালোভাবে বোঝার জন্য তিনি আইআরজিসির প্রধান জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদিসহ শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন। তাঁর অগ্রাধিকার থাকবে সামরিক শিল্পের দ্রুত বিকাশ, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উদীয়মান প্রযুক্তির সংযোজন এবং সশস্ত্র বাহিনীর কল্যাণ ও আন্তর্জাতিক সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo