ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুয়েতের গৃহকর্মীর ৮৬.১ শতাংশই বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৪ দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আলবেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ ও ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু দুর্নীতির মামলায় কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান আব্দুল হান্নান সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক এমপি কামারুল তিথির বিশেষ বিন্যাসে দুই দিনে পালিত হচ্ছে মহাসপ্তমী উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মালিকসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ যশোরের নাহিদুর ও তার পরিবার

কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ যশোরের নাহিদুর ও তার পরিবার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারের ইনানীতে পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে যশোরের মণিরামপুরের নাহিদুর রহমান, তার স্ত্রী ও দুই শিশুকন্যা নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে রিসোর্ট থেকে চেকআউট করে তাদের বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু শনিবারের ওই অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে চারজনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজ ৪১ বছর বয়সী নাহিদুর রহমান ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তিনি তার স্ত্রী ৩৬ বছর বয়সী আফসানা মতিন তানজি এবং দুই মেয়ে সাত বছর বয়সী রুজাইনা ইনায়া ও তিন বছর বয়সী সুনাইনা ইহানাকে নিয়ে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় বসবাস করতেন। ১৬ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ইনানীর ওই রিসোর্টে তাদের থাকার কথা ছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর নাহিদুরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সবার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে না পেরে স্বজনরা চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। নাহিদুরের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স জানিয়েছেন, ভাইয়ের পরিবারের খোঁজ পেতে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা জীবিত নাকি অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন, সেই অনিশ্চয়তা তাদের গ্রাস করেছে। এমনকি নাহিদুরের অসুস্থ বাবাও এখনো ছেলের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি জানেন না।

রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মরদেহগুলো बुरीভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাদের পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। নাহিদুরের পরিবারের চারজনের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য এখনো মেলেনি। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফিরোজ কবির জানিয়েছেন, মরদেহগুলোর দাবিদার হিসেবে একাধিক পরিবার সামনে এসেছে। পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করেই মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ যশোরের নাহিদুর ও তার পরিবার

আপডেট সময় : ০২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের ইনানীতে পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে যশোরের মণিরামপুরের নাহিদুর রহমান, তার স্ত্রী ও দুই শিশুকন্যা নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে রিসোর্ট থেকে চেকআউট করে তাদের বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু শনিবারের ওই অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে চারজনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজ ৪১ বছর বয়সী নাহিদুর রহমান ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তিনি তার স্ত্রী ৩৬ বছর বয়সী আফসানা মতিন তানজি এবং দুই মেয়ে সাত বছর বয়সী রুজাইনা ইনায়া ও তিন বছর বয়সী সুনাইনা ইহানাকে নিয়ে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় বসবাস করতেন। ১৬ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ইনানীর ওই রিসোর্টে তাদের থাকার কথা ছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর নাহিদুরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সবার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে না পেরে স্বজনরা চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। নাহিদুরের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স জানিয়েছেন, ভাইয়ের পরিবারের খোঁজ পেতে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা জীবিত নাকি অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন, সেই অনিশ্চয়তা তাদের গ্রাস করেছে। এমনকি নাহিদুরের অসুস্থ বাবাও এখনো ছেলের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি জানেন না।

রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মরদেহগুলো बुरीভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাদের পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। নাহিদুরের পরিবারের চারজনের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য এখনো মেলেনি। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফিরোজ কবির জানিয়েছেন, মরদেহগুলোর দাবিদার হিসেবে একাধিক পরিবার সামনে এসেছে। পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করেই মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin