ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এতিমদের অধিকার রক্ষা ও তাদের প্রতি ইসলামের নির্দেশনাবলী পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন আগার সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে জয় পাকিস্তানের দেবী দুর্গার সাজে নজর কাড়লেন চিত্রনায়িকা পরীমণি ২০২৭ সালের দীপাবলিতে মুখোমুখি প্রভাস ও রণবীরের সিনেমা হাসপাতাল ব্যবস্থা ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিকাশে মুসলমানদের ঐতিহাসিক অবদান প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন পাস হলে বুমেরাং হতে পারে: টিআইবি বন্ধ কারখানা চালুর ঋণ বিতরণে মন্দা, বিতরণ মাত্র ৫৬১ কোটি টাকা আজকের খেলার সূচি: আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে ফিরছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী যৌথ অভিযানে আটক ৫১৯

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লা জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কিশোর অপরাধ দমনে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে ৫১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই বিশেষ অভিযানে জেলার ১৮টি থানা এবং গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) একসঙ্গে অংশ নেয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এটি পরিচালনা করা হয়। কুমিল্লা নগরীসহ প্রতিটি থানা এলাকার বখাটে ও অপরাধপ্রবণ কিশোরদের সম্ভাব্য আস্তানাগুলোতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত থেকে তল্লাশি চালান।

আটক হওয়া ৫১৯ জনের মধ্যে কাদের অপরাধে সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যেন গ্যাং কালচার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে লক্ষ্যে এই নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রাথমিক যাচাই শেষে অপরাধের ধরন অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লাজুড়ে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ব্যাপক আলোচনায় আসে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে জেলাজুড়ে পুলিশ ও ডিবি ডাইরেক্টরেটের যৌথ অভিযান শুরু করা হয়।

জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া পাঁচ ধাপের ধারাবাহিক অভিযানে এ পর্যন্ত সর্বমোট ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বড় অংশ শিক্ষার্থী হওয়ায় ১ হাজার ৪০৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় হস্তান্তর করে পুলিশ। অন্যদিকে বিভিন্ন অপরাধের সাথে সরাসরি যোগসাজশ প্রমাণ হওয়ায় বাকি ৬২৬ জনকে আদালতের মাধ্যমে শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বন্ধে এবং সাধারণ মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি বলবৎ রয়েছে। গ্যাং কালচারের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী যৌথ অভিযানে আটক ৫১৯

আপডেট সময় : ১২:২৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লা জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কিশোর অপরাধ দমনে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে ৫১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই বিশেষ অভিযানে জেলার ১৮টি থানা এবং গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) একসঙ্গে অংশ নেয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এটি পরিচালনা করা হয়। কুমিল্লা নগরীসহ প্রতিটি থানা এলাকার বখাটে ও অপরাধপ্রবণ কিশোরদের সম্ভাব্য আস্তানাগুলোতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত থেকে তল্লাশি চালান।

আটক হওয়া ৫১৯ জনের মধ্যে কাদের অপরাধে সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যেন গ্যাং কালচার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে লক্ষ্যে এই নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রাথমিক যাচাই শেষে অপরাধের ধরন অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লাজুড়ে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ব্যাপক আলোচনায় আসে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে জেলাজুড়ে পুলিশ ও ডিবি ডাইরেক্টরেটের যৌথ অভিযান শুরু করা হয়।

জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া পাঁচ ধাপের ধারাবাহিক অভিযানে এ পর্যন্ত সর্বমোট ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বড় অংশ শিক্ষার্থী হওয়ায় ১ হাজার ৪০৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় হস্তান্তর করে পুলিশ। অন্যদিকে বিভিন্ন অপরাধের সাথে সরাসরি যোগসাজশ প্রমাণ হওয়ায় বাকি ৬২৬ জনকে আদালতের মাধ্যমে শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বন্ধে এবং সাধারণ মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি বলবৎ রয়েছে। গ্যাং কালচারের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin