জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে নিষেধাজ্ঞায় পর্তুগাল তারকা রোনালদো
- আপডেট সময় : ১১:২৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনায় বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের অধিনায়ককে সাময়িকভাবে জাতীয় দল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তবে ৪১ বছর বয়সী এই তারকার চূড়ান্ত শাস্তির মেয়াদ এখনো নির্ধারিত হয়নি। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের (এফপিএফ) শৃঙ্খলা কমিটির দেওয়া সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে তাঁকে এক থেকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে।
ঘটনার সূত্রপাত উয়েফা নেশনস লিগে নরওয়ের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ২৭ সেপ্টেম্বরের ম্যাচকে কেন্দ্র করে। উক্ত ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে দীর্ঘ সময় ওয়ার্মআপ করলেও রোনালদোকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামানো হয়নি। রোনালদোর দাবি, কোচ জর্জে জেসুস তাঁকে অন্তত ৩০ মিনিট খেলার সুযোগ দেবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। কিন্তু মাঠে নামতে না পেরে তিনি কোচের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেন।
এরপর ডেনমার্কের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচের আগে কোচের সঙ্গে রোনালদোর বিরোধ আরও তীব্র হয়। পর্তুগাল তারকা অভিযোগ তোলেন, সংবাদ সম্মেলনে তাঁকে কেন্দ্র করে কিছু বিষয় পরিষ্কার করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রক্ষা করেননি জেসুস। এসব ক্ষোভের জের ধরেই জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করেন তিনি।
ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার পর রোনালদো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বিবৃতি দেন। সেখানে নিজের এই আচরণের জন্য সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চান তিনি, যদিও একই সাথে কোচের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ বহাল রাখেন। দেশের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি জানান, কোনো শাস্তি দেওয়া হলে তা ভোগ করার পরও পর্তুগালের জার্সি গায়ে চড়াতে তিনি পুরোপুরি প্রস্তুত।
পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, উপযুক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে গেলে এক থেকে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞার স্পষ্ট বিধান রয়েছে। পর্তুগালের এই সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার ওপর যদি ছয় মাসের সর্বোচ্চ শাস্তি আরোপ করা হয়, তবে তিনি আগামী নভেম্বরের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো মিস করবেন। পাশাপাশি ২০২৭ সালের মার্চে অনুষ্ঠিতব্য নেশনস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালেও পর্তুগালের হয়ে মাঠে নামতে পারবেন না তিনি। তবে এফপিএফের শৃঙ্খলা কমিটি রোনালদোর ক্ষমা চাওয়া এবং ঘটনার পেছনের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।



























