ইউনেস্কোকে এআই ব্যবহারের কৌশল নির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশের
- আপডেট সময় : ১০:১৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুতগতির অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে ইউনেস্কোকে সুনির্দিষ্ট ও যথাযথ কৌশল গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় সংস্থাটির কর্মপরিধির আওতায় এআইয়ের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত ইউনেস্কো সদর দপ্তরে সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের ২২৫তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে জাতীয় বিবৃতি উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। কাতার থেকে নির্বাচিত ইউনেস্কো নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি নাসের বিন হামাদ আল হিনজাব এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
বিবৃতিতে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ঝরে পড়া রোধ ও বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাথমিক স্তর থেকেই তাদের নিয়মিত উপস্থিতি ও পড়াশোনা বজায় রাখাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ ও বহুমাত্রিক গুণসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। এই উদ্দেশ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রমে ক্রীড়াকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশব্যাপী যুব ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ২০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীকে এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
জাতীয় বিবৃতিতে মাতৃভাষাকে কেন্দ্র করে বহুভাষিক শিক্ষার প্রসার এবং প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, পুষ্টি ও সামাজিক সহায়তা কাঠামোকে অগ্রাধিকার প্রদান এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সম্প্রসারণের বিষয়টিও অধিবেশনে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন শিক্ষা সচিব।



























