ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইনগত সহায়তা প্রান্তিক মানুষের বিচারপ্রাপ্তি সহজ করবে: আইনমন্ত্রী ইসরাইলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকালে বাকুতে ওয়াকআউট করল বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা রাষ্ট্রের অংশ, তাদের পাশে দাঁড়ানো দায়িত্ব: সমাজকল্যাণমন্ত্রী আফগানিস্তানে দারিদ্র্যের কশাঘাতে বাল্যবিয়ের শিকার শিশু-কিশোরীরা খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কোপানোর ঘটনায় ‘স্পিকার মিরাজ’ গ্রেপ্তার তজুমদ্দিনে মেঘনায় মা ইলিশ শিকারের দায়ে ১০ জেলের কারাদণ্ড হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু মোদি সরকারকে স্বৈরাচারী আখ্যা দিলেন সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদ্‌যাপনের আহ্বান এমপি ফাহমিদা হকের ঢাকায় ৫ টাকায় পূজার বাজারের আয়োজন করল বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন

মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ২০ বিলিয়ন রিঙ্গিত অবদান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা ও জাতীয় অর্থনীতিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বর্তমানে দেশটিতে অবস্থানরত প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার বিদেশী শিক্ষার্থী তাদের টিউশন ফি এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে প্রতি বছর প্রায় ২০ বিলিয়ন রিঙ্গিত যোগ করছেন। এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেস (ইএমজিএস)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নোভি তাজুদ্দিন সম্প্রতি এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই তথ্য তুলে ধরেন।

ইএমজিএস-এর গবেষণা অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত প্রতিটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আবাসন, খাদ্য, টিউশন ফি এবং অন্যান্য দৈনন্দিন খরচ বাবদ প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১০ হাজার রিঙ্গিত ব্যয় করেন। এই অর্থ সরাসরি স্থানীয় বাজারে প্রবাহিত হওয়ায় জাতীয় ও আঞ্চলিক অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে। বিশেষ করে রাজধানী কুয়ালালামপুরের বাইরে তেরেংগানুর 'ইউনিভার্সিটি সুলতান জয়নাল আবেদিন' এবং 'ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া তেরেংগানু'-এর মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আশেপাশের স্থানীয় খাদ্য, আবাসন ও পরিবহন খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট।

বিশ্বের শীর্ষ ১৪টি আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা গন্তব্যের তালিকায় স্থান করে নেওয়া মালয়েশিয়া এখন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো দেশগুলোর সাথে বৈশ্বিক শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করছে। বিগত তিন বছরে দেশটিতে বিদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় শিক্ষার্থী পাঠানো শীর্ষ পাঁচটি দেশের তালিকায় চীন, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান রয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর ও উচ্চতর গবেষণা পর্যায়ে অধ্যয়নরত।

সরকারের ১০ বছর মেয়াদী 'মালয়েশিয়া হায়ার এডুকেশন ব্লুপ্রিন্ট' অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে ৫ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে ইএমজিএস বিশ্বের সাত থেকে আটটি প্রধান অঞ্চলে সরাসরি প্রচারণা ও রোডশো পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ২০ বিলিয়ন রিঙ্গিত অবদান

আপডেট সময় : ০৯:১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা ও জাতীয় অর্থনীতিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বর্তমানে দেশটিতে অবস্থানরত প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার বিদেশী শিক্ষার্থী তাদের টিউশন ফি এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে প্রতি বছর প্রায় ২০ বিলিয়ন রিঙ্গিত যোগ করছেন। এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেস (ইএমজিএস)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নোভি তাজুদ্দিন সম্প্রতি এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই তথ্য তুলে ধরেন।

ইএমজিএস-এর গবেষণা অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত প্রতিটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আবাসন, খাদ্য, টিউশন ফি এবং অন্যান্য দৈনন্দিন খরচ বাবদ প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১০ হাজার রিঙ্গিত ব্যয় করেন। এই অর্থ সরাসরি স্থানীয় বাজারে প্রবাহিত হওয়ায় জাতীয় ও আঞ্চলিক অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে। বিশেষ করে রাজধানী কুয়ালালামপুরের বাইরে তেরেংগানুর 'ইউনিভার্সিটি সুলতান জয়নাল আবেদিন' এবং 'ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া তেরেংগানু'-এর মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আশেপাশের স্থানীয় খাদ্য, আবাসন ও পরিবহন খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট।

বিশ্বের শীর্ষ ১৪টি আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা গন্তব্যের তালিকায় স্থান করে নেওয়া মালয়েশিয়া এখন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো দেশগুলোর সাথে বৈশ্বিক শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করছে। বিগত তিন বছরে দেশটিতে বিদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় শিক্ষার্থী পাঠানো শীর্ষ পাঁচটি দেশের তালিকায় চীন, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান রয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর ও উচ্চতর গবেষণা পর্যায়ে অধ্যয়নরত।

সরকারের ১০ বছর মেয়াদী 'মালয়েশিয়া হায়ার এডুকেশন ব্লুপ্রিন্ট' অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে ৫ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে ইএমজিএস বিশ্বের সাত থেকে আটটি প্রধান অঞ্চলে সরাসরি প্রচারণা ও রোডশো পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin