ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে দিল্লি পুলিশি বাধার মুখে অঙ্কিতার বাবা-মা লামায় নিখোঁজ তিন স্কুলছাত্রী ৫ দিন পর চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার রাজস্ব ঘাটতিতে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ বাড়ছে রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস রুট পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু মন্দিরে হামলার ষড়যন্ত্র, ১৯ বছর বয়সি তরুণ গ্রেপ্তার ২০৫০ সালের মধ্যে ১৯ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সরকারের নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন সাবেক গোয়েন্দা প্রধান রোনেন বার হরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজ ডুবি, বাড়ছে বাণিজ্যিক নৌপথে হামলার তীব্রতা রেজিস্ট্রেশন কার্ড আনতে গিয়ে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ শিক্ষার্থী স্পেসএক্সের রকেট উৎক্ষেপণের পর আকাশে দেখা গেল জেলিফিশ মেঘ

ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধের’ ঘোষণা ট্রাম্পের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত নিরসনের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর দেশটির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরান চুক্তির সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে নিজের স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বড় হাতের অক্ষরে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি একে ‘কোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ট্রাম্প বলেন, চুক্তির সুযোগ গ্রহণে ব্যর্থতার কারণে ইরানকে এখন ‘নজিরবিহীন মাত্রায় অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতার’ মুখোমুখি হতে হবে।

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা অন্যান্য দেশের প্রতিও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো দেশ যদি তার আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি কোনো সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে কোনো ধরনের সহায়তা দেয়, তবে সেই দেশকেও ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে।

ইরানকে পুরোপুরি কোণঠাসা করতে তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় ব্যবস্থা (বার্টার সিস্টেম), নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন এবং ইরানের হয়ে কাজ করা ভুয়া বা ছদ্মবেশী কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই পদক্ষেপকে একটি ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করে ইরানের হুমকি মোকাবিলা ও দেশটিকে বিচ্ছিন্ন করতে মার্কিন মিত্রদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এমন অর্থনৈতিক চাপের কৌশল অবশ্য নতুন নয়। গত এপ্রিল মাস থেকে তার প্রশাসন ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’ নামে তেহরানের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং দেশটির আয়ের প্রধান উৎসগুলো বন্ধ করে দেওয়া। ইতিমধ্যে দেশটির তেল, নৌপরিবহন ও আর্থিক খাতের ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন, যার অন্যতম লক্ষ্য জ্বালানি রপ্তানি থেকে ইরানের আয় শূন্যে নামিয়ে আনা। এর পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপের পাশাপাশি দেশটির তেল বিক্রিতে সহায়তাকারী বিভিন্ন কোম্পানি, মধ্যস্থতাকারী ও ট্যাংকারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ০২আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ০৬

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধের’ ঘোষণা ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত নিরসনের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর দেশটির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরান চুক্তির সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে নিজের স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বড় হাতের অক্ষরে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি একে ‘কোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ট্রাম্প বলেন, চুক্তির সুযোগ গ্রহণে ব্যর্থতার কারণে ইরানকে এখন ‘নজিরবিহীন মাত্রায় অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতার’ মুখোমুখি হতে হবে।

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা অন্যান্য দেশের প্রতিও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো দেশ যদি তার আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি কোনো সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে কোনো ধরনের সহায়তা দেয়, তবে সেই দেশকেও ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে।

ইরানকে পুরোপুরি কোণঠাসা করতে তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় ব্যবস্থা (বার্টার সিস্টেম), নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন এবং ইরানের হয়ে কাজ করা ভুয়া বা ছদ্মবেশী কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই পদক্ষেপকে একটি ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করে ইরানের হুমকি মোকাবিলা ও দেশটিকে বিচ্ছিন্ন করতে মার্কিন মিত্রদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এমন অর্থনৈতিক চাপের কৌশল অবশ্য নতুন নয়। গত এপ্রিল মাস থেকে তার প্রশাসন ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’ নামে তেহরানের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং দেশটির আয়ের প্রধান উৎসগুলো বন্ধ করে দেওয়া। ইতিমধ্যে দেশটির তেল, নৌপরিবহন ও আর্থিক খাতের ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন, যার অন্যতম লক্ষ্য জ্বালানি রপ্তানি থেকে ইরানের আয় শূন্যে নামিয়ে আনা। এর পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপের পাশাপাশি দেশটির তেল বিক্রিতে সহায়তাকারী বিভিন্ন কোম্পানি, মধ্যস্থতাকারী ও ট্যাংকারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ০২আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ০৬

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh