ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে চেলসি গোলরক্ষক মার্তিনেজ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: শামা ওবায়েদ মতলব উত্তরে কলেজ শিক্ষকের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক কলকাতার পূজামণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে নারী ও শিশুসহ নিহত ১৮ মাছরাঙা টিভির দুঃখ প্রকাশে ক্ষুব্ধ পরীমণি, নিজেকেই দায়ী করলেন অপরাধী হিসেবে নেতানিয়াহুকে হটাতে ইসরায়েলের পাঁচ বিরোধী নেতার অনাক্রমণ চুক্তি ২৭২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চাপে বাংলাদেশ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে: আফগানিস্তানকে ৩৩ রানে হারিয়ে বাংলাদেশের জয়

ইবিতে ভিডিও ধারণ ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনায় উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইইই) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বহিরাগত ব্যক্তির অননুমোদিত ভিডিও ধারণ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বিভাগীয় শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের একান্ত সচিব ও উপ-রেজিস্ট্রার গোলাম মাহফুজের নিকট এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে উপ-রেজিস্ট্রার গোলাম মাহফুজ জানান, উপাচার্য মহোদয় প্রোগ্রামে ব্যস্ত থাকায় তিনি স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেছেন এবং পরবর্তীতে তা উপাচার্যের কাছে প্রেরণ করেছেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, গত ১৮ আগস্ট (রবিবার) দুপুর দেড়টার দিকে ইইই বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। এই বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন ও অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামানের উপস্থিতিতে আলোচনা চলাকালে এক বহিরাগত ব্যক্তি না জানিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে বাধা দিলে তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং হুমকি প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সেলের কর্মকর্তারা এসে ওই ব্যক্তির মোবাইল ফোন হেফাজতে নেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার পরিবেশ ক্ষুণ্ণ করছে। এ অবস্থায় তারা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত কারণ উদঘাটন, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বন্ধ এবং বহিরাগতদের বিভাগে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, তিনি পিএসের মাধ্যমে একটি ডকুমেন্ট পেয়েছেন। তার জানা মতে এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরপরও বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান। এর আগে গত ১৬ আগস্ট ব্যক্তিগত কক্ষে অনুমতি ছাড়া দুই শিক্ষকের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

ইবিতে ভিডিও ধারণ ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনায় উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইইই) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বহিরাগত ব্যক্তির অননুমোদিত ভিডিও ধারণ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বিভাগীয় শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের একান্ত সচিব ও উপ-রেজিস্ট্রার গোলাম মাহফুজের নিকট এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে উপ-রেজিস্ট্রার গোলাম মাহফুজ জানান, উপাচার্য মহোদয় প্রোগ্রামে ব্যস্ত থাকায় তিনি স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেছেন এবং পরবর্তীতে তা উপাচার্যের কাছে প্রেরণ করেছেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, গত ১৮ আগস্ট (রবিবার) দুপুর দেড়টার দিকে ইইই বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। এই বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন ও অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামানের উপস্থিতিতে আলোচনা চলাকালে এক বহিরাগত ব্যক্তি না জানিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে বাধা দিলে তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং হুমকি প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সেলের কর্মকর্তারা এসে ওই ব্যক্তির মোবাইল ফোন হেফাজতে নেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার পরিবেশ ক্ষুণ্ণ করছে। এ অবস্থায় তারা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত কারণ উদঘাটন, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বন্ধ এবং বহিরাগতদের বিভাগে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, তিনি পিএসের মাধ্যমে একটি ডকুমেন্ট পেয়েছেন। তার জানা মতে এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরপরও বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান। এর আগে গত ১৬ আগস্ট ব্যক্তিগত কক্ষে অনুমতি ছাড়া দুই শিক্ষকের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin