ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২০৮৮ রোগী কুয়েতের গৃহকর্মীর ৮৬.১ শতাংশই বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৪ দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আলবেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ ও ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু দুর্নীতির মামলায় কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান আব্দুল হান্নান সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক এমপি কামারুল তিথির বিশেষ বিন্যাসে দুই দিনে পালিত হচ্ছে মহাসপ্তমী উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মালিকসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ প্রধান ডাকঘরের জরাজীর্ণ দশা, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার প্রধান ডাকঘরটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনটির ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা প্রতিনিয়ত খসে পড়ছে। বর্ষার দিনে ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ায় নষ্ট হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাগজপত্র ও পুরাতন নথি। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও সংস্কারে কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতারা মাথার ওপর দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে কাজ ও যাতায়াত করছেন।

জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বামনডাঙ্গা ও সুন্দরগঞ্জ—এই দুটি ডাকঘরের অধীনে মোট ২৮টি শাখা ডাকঘর পরিচালিত হয়। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রধান ডাকঘরের অধীনে ১২টি এবং বামনডাঙ্গা ডাকঘরের অধীনে ১৬টি শাখা রয়েছে। বর্তমানে আধুনিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগেও এই ডাকঘরের গুরুত্ব কমেনি। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, সরকারি doptor-এর চিঠিপত্র আদান-প্রদান এবং রেভিনিউ স্ট্যাম্প সংগ্রহের জন্য মানুষ এখনও এই ডাকঘরের ওপর নির্ভরশীল।

দহবন্দ ইউনিয়নের বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম জানান, স্বাধীনতার পর নির্মিত এই ভবনটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক। প্রতিনিয়ত পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং বৃষ্টি হলেই ভেতরে পানি ঢোকে। সেবা নিতে এসে এখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকাও এখন বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখন যে মাথার ওপর ছাদ ভেঙে পড়বে, সেই আতঙ্কে থাকতে হয়।

বেলকা ডাকঘরের পিয়ন মোস্তফা মিয়া বলেন, সব শাখা ডাকঘরের পিয়নদের প্রতিদিন চিঠিপত্র আনা-নেওয়ার জন্য এই প্রধান ডাকঘরে আসতে হয়। কিন্তু ভবনের ভেতরের অবস্থা এতটাই জরাজীর্ণ যে সেখানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ভবনটি দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার নুরুল হুদা জানান, ভবনটি বর্তমানে ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ছাদ চুইয়ে পানি পড়ার কারণে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবনটি মেরামত ও সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার লিখিতভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা পোস্টমাস্টার রমজান আলী জানান, সুন্দরগঞ্জ ডাকঘর ভবনের বেহাল দশার বিষয়টি তাঁর জানা রয়েছে। ভবনটি দ্রুত সংস্কার ও মেরামতের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যে অবহিত করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ প্রধান ডাকঘরের জরাজীর্ণ দশা, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৮:০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার প্রধান ডাকঘরটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনটির ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা প্রতিনিয়ত খসে পড়ছে। বর্ষার দিনে ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ায় নষ্ট হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাগজপত্র ও পুরাতন নথি। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও সংস্কারে কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতারা মাথার ওপর দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে কাজ ও যাতায়াত করছেন।

জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বামনডাঙ্গা ও সুন্দরগঞ্জ—এই দুটি ডাকঘরের অধীনে মোট ২৮টি শাখা ডাকঘর পরিচালিত হয়। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রধান ডাকঘরের অধীনে ১২টি এবং বামনডাঙ্গা ডাকঘরের অধীনে ১৬টি শাখা রয়েছে। বর্তমানে আধুনিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগেও এই ডাকঘরের গুরুত্ব কমেনি। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, সরকারি doptor-এর চিঠিপত্র আদান-প্রদান এবং রেভিনিউ স্ট্যাম্প সংগ্রহের জন্য মানুষ এখনও এই ডাকঘরের ওপর নির্ভরশীল।

দহবন্দ ইউনিয়নের বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম জানান, স্বাধীনতার পর নির্মিত এই ভবনটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক। প্রতিনিয়ত পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং বৃষ্টি হলেই ভেতরে পানি ঢোকে। সেবা নিতে এসে এখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকাও এখন বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখন যে মাথার ওপর ছাদ ভেঙে পড়বে, সেই আতঙ্কে থাকতে হয়।

বেলকা ডাকঘরের পিয়ন মোস্তফা মিয়া বলেন, সব শাখা ডাকঘরের পিয়নদের প্রতিদিন চিঠিপত্র আনা-নেওয়ার জন্য এই প্রধান ডাকঘরে আসতে হয়। কিন্তু ভবনের ভেতরের অবস্থা এতটাই জরাজীর্ণ যে সেখানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ভবনটি দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার নুরুল হুদা জানান, ভবনটি বর্তমানে ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ছাদ চুইয়ে পানি পড়ার কারণে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবনটি মেরামত ও সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার লিখিতভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা পোস্টমাস্টার রমজান আলী জানান, সুন্দরগঞ্জ ডাকঘর ভবনের বেহাল দশার বিষয়টি তাঁর জানা রয়েছে। ভবনটি দ্রুত সংস্কার ও মেরামতের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যে অবহিত করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy