ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রূপগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের বসতঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




মোঃ ইসমাইল হোসেন,
স্টাফ রিপোর্টার:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেয়ারিয়া এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, বসতঘর ভাঙচুর ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কেয়ারিয়া এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী প্রকৌশলী পবিত্র চন্দ্র সরকার, স্মৃতি রানী, স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক জজ মিয়া, যুবদল নেতা নাদিম মিয়াসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বক্তারা জানান, কেয়ারিয়া মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছেন। বিরোধপূর্ণ জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে তারা বলেন, প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ বছর ধরে তাদের পূর্বপুরুষরা ওই জমি ও বসতভিটা ভোগদখল করে আসছেন।

তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ইউসুফ ও জাহাঙ্গীর নামের দুই ভূমিদস্যু এবং সেনাবাহিনীর এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে ১৫০ থেকে ২০০ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী তাদের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং পরিবারের নারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনার সময় বাড়ির পুরুষ সদস্যরা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। সেই সুযোগে হামলাকারীরা নারীদের ধাক্কাধাক্কি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তারা বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই না করেই একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা যেভাবে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ওই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমাল ও বসতভিটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রূপগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের বসতঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১১:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

মোঃ ইসমাইল হোসেন,
স্টাফ রিপোর্টার:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেয়ারিয়া এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, বসতঘর ভাঙচুর ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কেয়ারিয়া এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী প্রকৌশলী পবিত্র চন্দ্র সরকার, স্মৃতি রানী, স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক জজ মিয়া, যুবদল নেতা নাদিম মিয়াসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বক্তারা জানান, কেয়ারিয়া মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছেন। বিরোধপূর্ণ জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে তারা বলেন, প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ বছর ধরে তাদের পূর্বপুরুষরা ওই জমি ও বসতভিটা ভোগদখল করে আসছেন।

তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ইউসুফ ও জাহাঙ্গীর নামের দুই ভূমিদস্যু এবং সেনাবাহিনীর এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে ১৫০ থেকে ২০০ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী তাদের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং পরিবারের নারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনার সময় বাড়ির পুরুষ সদস্যরা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। সেই সুযোগে হামলাকারীরা নারীদের ধাক্কাধাক্কি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তারা বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই না করেই একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা যেভাবে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ওই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমাল ও বসতভিটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।