ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে একই সাজে সেজেছিলেন শেরপুর থানা পুলিশ।
- আপডেট সময় : ০২:১৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫ ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া শেরপুর থানায় ঈদুল ফিতরের ঈদের আনন্দ নিজেদের মাঝে ভাগাভাগি করে নিতে একই সাজে সেজেছিলেন সকল শ্রেণীর দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ। শুধু পোশাকেও নয় মনের দিক থেকেও সবাই হয়ে গিয়েছিলেন একাকার।
৩০ শে মার্চ ২০২৫ তারিখে শেরপুর থানার চত্বরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এর উদ্যোগ এবং প্রচেষ্টায় ঈদের আনন্দকে সকলের মাঝে বিলিয়ে দিতে একই পোশাকে একই রঙ্গে সাজিয়েছিলেন ছোট বড় সকল অফিসার কে। দেখে মনে হয়েছিল এ যেন এক ভিন্ন রকম দৃশ্য। এরকম দৃশ্য বারবার সবাইকে বলে দিচ্ছিল, দেশের জনগণকে এবং দেশের সেবায় একসঙ্গে থাকতে চাই একসঙ্গে মরতে চাই।

শেরপুর থানায় বিগত দিনে কখনো এরকম দৃশ্য চোখে পড়েনি। সকল পেশা শ্রেণীর পুলিশের ভেদাভেদ ভুলে তারা একই বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে তারই একটি প্রমাণ দিয়েছে শেরপুর থানা পুলিশ। একই পোশাকে একই সাড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণের জন্য সবাই ভুলে গিয়েছিলেন এখানে কেউ ছোট নয় কেউ বড় নয় আমরা সবাই সমান।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম লেখা….ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ……
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে ,শোন আসমানী তাগিদ…..

এই গানের প্রতিটি কথা বাস্তবই যেন প্রমাণ করে দিয়েছে থানার সকল কর্মচারী ও কর্মকর্তা।এরকম একটি মনোরম দৃশ্য তুলে ধরার জন্য প্রশংসার জোয়ারে ভাচ্ছেন শেরপুর থানা পুলিশ।
নিজেদের এবং পরিবারের আনন্দের কথা না ভেবে দেশ ও দেশের জনগণের সেবায় যারা নিজেদের মেধা দিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যায় তাদের তো একই রঙ্গে এক কাতারে একই সারিতে থাকা দরকার।

























