ফুটবলপ্রেমীদের কাছে রোনাল্ড কোমান মানেই ১৯৮৮ ইউরোজয়ী ডাচ ফুটবলের এক কিংবদন্তি। মার্কো ফন বাস্তেন, রুদ খুলিত ও ডেনিস বার্গক্যাম্পের সেই দলের রক্ষণভাগের সেনানী হিসেবে পরিচিত হলেও কোমানের গোল করার ক্ষমতা ছিল অবিশ্বাস্য। ডিফেন্ডার হয়েও তিনি ১৯৯২ ইউরোপিয়ান কাপ ফাইনালে বার্সেলোনাকে জেতানো গোলটি করেছিলেন। এছাড়া ১৯৯৪ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল এবং ফ্রি-কিক ও পেনাল্টি থেকে গোল করার সামর্থ্য তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। ক্যারিয়ারে ২৩৯টি গোল করা কোমানের গোল ঠেকানোর চেয়ে গোল করার স্মৃতিই ভক্তদের মনে বেশি গেঁথে আছে।
সেই কিংবদন্তি বাবার পথেই যেন হাঁটছেন ৩১ বছর বয়সী ছেলে রোনাল্ড কোমান জুনিয়র। পার্থক্য শুধু এই যে, বাবা রক্ষণভাগে খেলতেন আর ছেলে গোলপোস্টের নিচে গোলরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে কাজে-কর্মে জুনিয়র যেন বাবারই আক্ষরিক সংস্করণ। সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ লিগে কাম্বুরের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে টেলস্টারের হয়ে দুটি গোলই করেছেন জুনিয়র। কাম্বুর ২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ৬৩ মিনিটে এবং যোগ করা সময়ের ১১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল দুটি করেন তিনি। এর আগে ২২ মিনিটে টেলস্টার ১০ জনের দলে পরিণত হয়েছিল।
গোলরক্ষক হয়ে গোল করার এই ধারাটি নতুন নয়। গত মে মাসে ডাচ লিগে অবনমন এড়াতে টেলস্টারের জন্য শেষ ম্যাচে পয়েন্ট প্রয়োজন ছিল। ভোলেনডামের বিপক্ষে সেই ম্যাচে পিছিয়ে পড়ার পর ২-১ গোলে জেতে টেলস্টার, যার নেপথ্যে ছিল ৮৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে কোমান জুনিয়রের গোল। দলের নিয়মিত গোলদাতা জোখেম রিটমেস্টের ও প্যাট্রিক ব্রাউয়ারকে ছাপিয়ে পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্বটি জুনিয়রই পালন করেছিলেন। তৎকালীন কোচ অ্যান্থনি কোরিয়া ম্যাচ শেষে বলেছিলেন, জুনিয়র একজন কিংবদন্তি এবং তাঁর নামে ভাস্কর্য বানানো উচিত।
পেশাদার ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ৩টি পেনাল্টি গোল করেছেন জুনিয়র। ডাচ শীর্ষ লিগে এক ম্যাচে দুটি গোল করা প্রথম গোলরক্ষক হিসেবে তিনি রেকর্ড গড়েছেন। পেনাল্টি নেওয়ার অভ্যাস সম্পর্কে জুনিয়র ইএসপিএনকে জানান, ছোটবেলায় অনেক মিস করলেও এখন তিনি আত্মবিশ্বাসী। স্পার্টার বিপক্ষে ম্যাচের হাফটাইমে কোচ জানতে চেয়েছিলেন তিনি পেনাল্টি নিতে পারবেন কি না, তখন থেকেই তিনি দলের প্রথম পছন্দ হয়ে ওঠেন। ভোলেনডামের বিপক্ষে প্রথম পেনাল্টি নেওয়ার সময় খেলার ফল ছিল ১-১, তখন কোচের সম্মতিতে তিনি দায়িত্বটি নেন।
ফুটবল ইতিহাসে গোলরক্ষক হিসেবে গোল করার ঐতিহ্য নতুন নয়। সাও পাওলোর গোলরক্ষক রজারিও চেনি ১২৯টি গোল করে গিনেজ বুকে নাম লিখিয়েছেন। এছাড়া রেনে হিগুইতা ৪৩টি এবং হোসে লুইস চিলাভার্ট ৬০টি গোল করেছেন। কোমান জুনিয়র সেই পথে হাঁটছেন কি না তা সময়ই বলে দেবে, তবে পেনাল্টি শটে নিজের সামর্থ্য নিয়ে তাঁর কোনো সংশয় নেই। পজিশন যা-ই হোক, সুযোগ পেলেই গোল করার এই পারিবারিক ঐতিহ্য যে তিনি ধরে রেখেছেন, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আর কোনো সন্দেহ নেই।
কোমান সিনিয়রের ক্যারিয়ারের গোলসংখ্যা ২৩৯—এর মধ্যে পেনাল্টি থেকে ১৩১ বারের প্রচেষ্টায় পেয়েছেন ১১৫ গোল।পেশাদার ক্যারিয়ারে পেনাল্টি থেকে কোমান জুনিয়রের পেনাল্টি থেকে গোল মাত্র ৩টি।
তখন তিনি বললেন, অবশ্যই, তুমিই নাও।’.১৯৯৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সাও পাওলোর ফ্রি-কিক ও পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব ছিল ব্রাজিলের গোলকিপার রোজারিও চেনির কাঁধে।
গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রম এলাকায় ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর…
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ভাষণের সময় সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার…
মাগুরার শ্রীপুরে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ ও কীটনাশক…
গণমাধ্যমে সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলের বক্তব্যও তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয়…
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিংবা স্বাভাবিক—কোনো শিশুকেই শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হবে না বলে জানিয়েছেন মহিলা…
খাগড়াছড়িতে ৭৭৮ জন শিক্ষার্থীকে ৯২ লাখ ৫ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন…
This website uses cookies.