জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের চলমান লংমার্চ কর্মসূচিতে রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগকেও যুক্ত করার প্রস্তাব এসেছে। স্থানীয় নেতাদের দেওয়া এই প্রস্তাবটি নিয়ে দলগুলোর লিয়াজোঁ কমিটি ও শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনা হলেও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় লিয়াজোঁ কমিটির পরবর্তী বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
এদিকে, আগামী ২১ নভেম্বর সিলেট অভিমুখে ঘোষিত লংমার্চ সড়কপথের পরিবর্তে ট্রেনে করার পূর্বসিদ্ধান্তটি নতুন করে পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিলেট বিভাগের সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে এবং জনভোগান্তি এড়াতে রেলস্টেশনের কাছাকাছি পথসভা করার পরিকল্পনা থেকে ট্রেনযাত্রার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে সাধারণ যাত্রী পরিবহনের স্বাভাবিক চলাচল বজায় রেখে কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো জটিলতা তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এর আগে আগামী ৩১ অক্টোবর খুলনা বিভাগে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যার সমাপনী হবে কুষ্টিয়ায়।
১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে দুই বিভাগের নতুন প্রস্তাব এবং সিলেটের ট্রেনযাত্রার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। অন্যদিকে, ময়মনসিংহে আলাদা কোনো লংমার্চ করার সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। নেতারা জানিয়েছেন, ঢাকার সঙ্গে ময়মনসিংহের দূরত্ব কম এবং অন্যান্য বিভাগের লংমার্চ রুটের সঙ্গে এর একটি অংশ যুক্ত থাকায় সেখানে আলাদা কর্মসূচির প্রয়োজন দেখছেন না তারা।
এই জোটের লংমার্চ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য জাতীয় রাজনৈতিক দাবির পাশাপাশি আঞ্চলিক সমস্যাগুলোকে জনগণের সামনে তুলে ধরা। গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। চট্টগ্রামের কর্মসূচিতে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছিল। রংপুরের কর্মসূচিতে এর সঙ্গে যুক্ত হয় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি।
জোটভুক্ত দল জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধানও রাজশাহী ও বরিশালের প্রস্তাব নিয়ে লিয়াজোঁ কমিটি এবং শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জামায়াত নেতারা মনে করছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের পর মাঠপর্যায়ে বিএনপির রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে দলগুলোর মধ্যকার নীরবতা কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি এটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং সন্ত্রাস ও দখলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেও ভূমিকা রাখবে। বিভাগভিত্তিক এই কর্মসূচি শেষে ঢাকায় যে মহাসমাবেশ করার কথা ছিল, তা পিছিয়ে আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
রাজনীতিতে যতিচিহ্ন নেই, এই আপ্তবাক্য স্মরণ করিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান সংকটাপন্ন রাজনৈতিক অবস্থা ও ভবিষ্যতের…
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাস্তা পারাপারের সময় অজ্ঞাত বাস চাপায় দুই কিশোর নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল…
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জে অস্ত্রের মুখে চার জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু মজনু বাহিনী। এ সময়…
ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অপব্যবহার করে একটি মহলের মিথ্যাচার ও ধোঁকাবাজি প্রতিরোধে সবাইকে সজাগ থাকার…
দীর্ঘদিন নয়াদিল্লিমুখী পররাষ্ট্রনীতির পর বাংলাদেশ এখন তার কূটনৈতিক পরিসর বিস্তৃত করছে। পাকিস্তান, চীন ও তুরস্কের…
রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজ এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের…
This website uses cookies.