ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোলায় জুয়ার আসরে ডিবি পুলিশের অভিযান, ছাত্র সমাজ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭ শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী ৭টি সেনা ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন সাভার সেনানিবাসে লিডসের মাঠে ড্র, টানা ছয় ম্যাচে জয়হীন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ পেলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সচিবালয়ে বড় রদবদল: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্ব পেলেন কর্মকর্তারা মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন এবং নতুন সচিবালয়ের অনুমোদন মাঝআকাশে দরজা খুলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, ঢাকায় রোগীর মৃত্যু আগামী ৭ জানুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ ওয়েবসাইট ও টেলিগ্রামে মাদক বিক্রি, ভাটারায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

প্রয়োজনে ইমরান খানকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হতে পারে: পাক সরকার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাকিস্তান সরকার বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জানিয়েছে যে, প্রয়োজনে পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হতে পারে। ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী ড. তারিক ফজল চৌধুরী সিনেটের এক উত্তপ্ত অধিবেশনে এ ইঙ্গিত দেন।

মন্ত্রী জানান, ইমরান খানের চিকিৎসার বিষয়ে আদালতের আগের নির্দেশনার পরিধি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা পেতেই সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সুপ্রিম কোর্টের কাছে নির্দেশনা চেয়েছি যে, এই সুবিধা কি কেবল একজন ব্যক্তির জন্য, নাকি অন্য বন্দীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।” তারিক ফজল চৌধুরী আরও যোগ করেন, সরকার আদালতের রায় অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কারাগারে থাকা দণ্ডিত ব্যক্তিদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার প্রচলিত নিয়মের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইমরান খানের জন্য সরকারি হাসপাতাল বা প্রয়োজন হলে অন্য কোনো হাসপাতালের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “যদি তাকে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজন হয়, সেটিও আমরা করব।”

সিনেটের বিরোধীদলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা করে অভিযোগ করেন যে, বন্দীদের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। জবাবে মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানান, সরকার ইমরান খান ও অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

পরবর্তীতে এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া বিবৃতিতে মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, আদালতের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাওয়া না গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার সব ধরনের আইনি বিকল্প বিবেচনা করবে, যার মধ্যে শিফা হাসপাতাল কিংবা প্রয়োজনে বিদেশ পাঠানোর ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পরবর্তীতে এক্সে দেয়া পৃথক এক বিবৃতিতে তারিক ফজল চৌধুরী বলেন, ১৮ আগস্টের রায় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্য আদালতের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা বা তা বাস্তবায়নে বাধা দেয়া নয়। বরং “শুধু এই আইনি বিষয়টি স্পষ্ট করা যে আদালতের সিদ্ধান্ত কোনো নির্দিষ্ট বন্দির মামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ, নাকি অন্য বন্দিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রয়োজনে ইমরান খানকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হতে পারে: পাক সরকার

আপডেট সময় : ০১:২৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

পাকিস্তান সরকার বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জানিয়েছে যে, প্রয়োজনে পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হতে পারে। ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী ড. তারিক ফজল চৌধুরী সিনেটের এক উত্তপ্ত অধিবেশনে এ ইঙ্গিত দেন।

মন্ত্রী জানান, ইমরান খানের চিকিৎসার বিষয়ে আদালতের আগের নির্দেশনার পরিধি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা পেতেই সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সুপ্রিম কোর্টের কাছে নির্দেশনা চেয়েছি যে, এই সুবিধা কি কেবল একজন ব্যক্তির জন্য, নাকি অন্য বন্দীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।” তারিক ফজল চৌধুরী আরও যোগ করেন, সরকার আদালতের রায় অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কারাগারে থাকা দণ্ডিত ব্যক্তিদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার প্রচলিত নিয়মের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইমরান খানের জন্য সরকারি হাসপাতাল বা প্রয়োজন হলে অন্য কোনো হাসপাতালের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “যদি তাকে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজন হয়, সেটিও আমরা করব।”

সিনেটের বিরোধীদলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা করে অভিযোগ করেন যে, বন্দীদের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। জবাবে মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানান, সরকার ইমরান খান ও অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

পরবর্তীতে এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া বিবৃতিতে মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, আদালতের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাওয়া না গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার সব ধরনের আইনি বিকল্প বিবেচনা করবে, যার মধ্যে শিফা হাসপাতাল কিংবা প্রয়োজনে বিদেশ পাঠানোর ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পরবর্তীতে এক্সে দেয়া পৃথক এক বিবৃতিতে তারিক ফজল চৌধুরী বলেন, ১৮ আগস্টের রায় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্য আদালতের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা বা তা বাস্তবায়নে বাধা দেয়া নয়। বরং “শুধু এই আইনি বিষয়টি স্পষ্ট করা যে আদালতের সিদ্ধান্ত কোনো নির্দিষ্ট বন্দির মামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ, নাকি অন্য বন্দিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin