ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুল হাওলাদারের মাদারীপুরের গ্রামের বাড়ি এখন তালাবদ্ধ। ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ ১৮: ১১ মিনিটে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর হামলার আশঙ্কায় মনিরুলের পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এলাকাবাসী বিদেশের মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার এই ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের খালাসীকান্দি এলাকায় মনিরুলদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পাশাপাশি দুটি টিনশেডের ঘরের দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝুলছে। একটি চারচালা ও অন্যটি দোচালা ঘর। বাড়ির চারপাশ নীরব ও নিস্তব্ধ। মনিরুলের চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন আসার আগেই মনিরুলের পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে যান।
মনিরুলের সৎভাই ওবায়দুল হাওলাদার সেখানে এসে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রায় দেড় বছর আগে দালের মাধ্যমে ২৮ লাখ টাকা খরচ করে লিবিয়া হয়ে ইতালি পাড়ি জমান মনিরুল। তিনি মৃত শাজাহান হাওলাদারের কনিষ্ঠ ছেলে। বাড়িতে তার মা আলেয়া বেগম ও বড় ভাই থাকতেন। মনিরুলের তিন বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ইতালি যাওয়ার জন্য নেওয়া ঋণের টাকাও এখনো পুরোপুরি পরিশোধ করতে পারেনি পরিবারটি।
ওবায়দুল হাওলাদার বলেন, মনিরুল এখনো বাড়িঘর করতে পারেনি, মাথার ওপর ঋণের বোঝা। অথচ টাকা-পয়সা উপার্জনের চেষ্টা না করে সে দলবাজি শুরু করেছে। বিদেশে বসে দেশের মান-সম্মান শেষ করে দেওয়া মনিরুলের বিচার হওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং জানান যে পরিবারের কেউ তার এই অপকর্মের সঙ্গে নেই।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দেশে থাকাকালে মনিরুল নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ধুরাইল ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খান ও আসিব খানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মনিরুলের চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশে থাকতেও সে ছাত্রলীগ করতো, এখনো বিদেশে গিয়ে দলবাজি করছে। তার এমন কর্মকাণ্ডে পুরো ধুরাইলের সম্মান নষ্ট হয়েছে।
এদিকে ধুরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাওলাদার জানান, মনিরুল দেশে ও বিদেশে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তিনি শুনেছেন। মঙ্গলবার সকালে ইনকিলাব মঞ্চের আনাস নামে এক যুবকের নেতৃত্বে কিছু লোক ওই বাড়িতে এসেছিল। তবে চেয়ারম্যান তাদের বুঝিয়ে ফেরত পাঠিয়েছেন এবং তারা কোনো হামলা না করে মনিরুলের বিচার দাবি করে চলে গেছে। চেয়ারম্যান আরও জানান, তিনি ওই বাড়ির নিরাপত্তা জোরদার করেছেন এবং সদর থানা পুলিশও বিষয়টি তদারকি করছে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) ফারিহা রফিক ভাবনা জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই মনিরুলের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বাড়িঘরে যেন কোনো ধরনের হামলা বা ভাঙচুর না হয়, সে বিষয়ে পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শিল্পের সত্য ও ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি ও তাদের দর্শনের তুলনামূলক…
আওয়ামী লীগের নির্দেশে যারা অগ্নিসংযোগ ও বোমাবাজির মাধ্যমে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে, তাদের কোনো…
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে শুরু…
রাজধানীর বনশ্রীতে পথকুকুরকে খাবার দিতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন এক তরুণী। গত মঙ্গলবার রাতে…
পাবনার ঈশ্বরদীতে ক্রেতার পরিচয়ে দোকানে ঢুকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা মূল্যের দুই ভরি স্বর্ণের মালা…
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে দুই লাখ টাকার অনুদানের…
This website uses cookies.