ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন লুকে নুসরাত ফারিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শিশু হাসপাতালে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাবার পাশে ঘুমন্ত অবস্থায় নিখোঁজ শিশুর লাশ ৫৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার উত্তরায় পোশাকশ্রমিক ও পুলিশের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, আহত ২ কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ৯ পর্যটকের মৃত্যু, শনাক্ত ৬ ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতায় তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্পেনে বিশেষ সম্মাননা পাচ্ছেন লিওনেল মেসি ইনানীর রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: প্রিয়জনকে হারিয়ে নারীর আহাজারি শিক্ষকতা ও সুরের মেলবন্ধনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জুয়েল তাড়াশে সরকারি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ, এলাকাবাসীর উদ্বেগ

সৌদিতে মারা যাওয়া ভাইয়ের লাশ দেশে ফেরাতে আকুতি বোনের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. সোহাগ সৌদি আরবের আবহা শহরে গত সোমবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাঁর লাশ বর্তমানে সেখানে একটি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। সোহাগের অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তাঁর স্ত্রী আমেনা বেগম, দুই মেয়ে ফাতেমা জাহান ইকরা ও উম্মে জামিলা ঈশা এবং মা রৌশন আরা বেগম চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

সোহাগের বোন রোকসানা আক্তার জানিয়েছেন, তাঁর ভাই ২০১৮ সালে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন এবং ২০২১ সালে সর্বশেষ দেশে ফিরেছিলেন। তাঁর বড় মেয়ে ফাতেমা জাহান ইকরার বয়স ১০ বছর এবং ছোট মেয়ে উম্মে জামিলা ঈশার বয়স পাঁচ বছর। সোহাগ যখন সর্বশেষ সৌদি আরবে ফিরে যান, তখন ছোট মেয়ে ঈশা মায়ের গর্ভে ছিল, তাই সে বাবাকে কখনো সামনাসামনি দেখতে পায়নি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোহাগের বাবা রফিক উদ্দিনও সৌদিপ্রবাসী ছিলেন এবং ২০০৩ সালে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। সে সময় তাঁর লাশ দেশে আনা সম্ভব হয়নি এবং সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছিল। রোকসানা আক্তার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বাবার মতো ভাইয়ের লাশও কি পরিবার-পরিজনের অনুপস্থিতিতে বিদেশে দাফন করতে হবে? তাঁর পাঁচ বছরের মেয়েটি বাবাকে সামনাসামনি দেখেনি, অন্তত বাবার লাশটা যেন দেখতে পায়, সেই আকুতি জানান তিনি।

রোকসানা আরও জানান, সোহাগের আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং পাসপোর্টও মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। এই নথিপত্র নবায়ন করতে না পারায় তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি সোহাগের মৃত্যুতে পরিবারটি বর্তমানে দিশেহারা। তারা সরকারের কাছে ভাইয়ের লাশটি দেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন, যাতে এলাকায় তাকে শেষবারের মতো দেখে দাফন করা সম্ভব হয়।

‘আমার বাবা ২৩ বছর আগে সৌদি আরবে মারা গিয়েছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সৌদিতে মারা যাওয়া ভাইয়ের লাশ দেশে ফেরাতে আকুতি বোনের

আপডেট সময় : ০২:১৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. সোহাগ সৌদি আরবের আবহা শহরে গত সোমবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাঁর লাশ বর্তমানে সেখানে একটি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। সোহাগের অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তাঁর স্ত্রী আমেনা বেগম, দুই মেয়ে ফাতেমা জাহান ইকরা ও উম্মে জামিলা ঈশা এবং মা রৌশন আরা বেগম চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

সোহাগের বোন রোকসানা আক্তার জানিয়েছেন, তাঁর ভাই ২০১৮ সালে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন এবং ২০২১ সালে সর্বশেষ দেশে ফিরেছিলেন। তাঁর বড় মেয়ে ফাতেমা জাহান ইকরার বয়স ১০ বছর এবং ছোট মেয়ে উম্মে জামিলা ঈশার বয়স পাঁচ বছর। সোহাগ যখন সর্বশেষ সৌদি আরবে ফিরে যান, তখন ছোট মেয়ে ঈশা মায়ের গর্ভে ছিল, তাই সে বাবাকে কখনো সামনাসামনি দেখতে পায়নি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোহাগের বাবা রফিক উদ্দিনও সৌদিপ্রবাসী ছিলেন এবং ২০০৩ সালে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। সে সময় তাঁর লাশ দেশে আনা সম্ভব হয়নি এবং সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছিল। রোকসানা আক্তার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বাবার মতো ভাইয়ের লাশও কি পরিবার-পরিজনের অনুপস্থিতিতে বিদেশে দাফন করতে হবে? তাঁর পাঁচ বছরের মেয়েটি বাবাকে সামনাসামনি দেখেনি, অন্তত বাবার লাশটা যেন দেখতে পায়, সেই আকুতি জানান তিনি।

রোকসানা আরও জানান, সোহাগের আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং পাসপোর্টও মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। এই নথিপত্র নবায়ন করতে না পারায় তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি সোহাগের মৃত্যুতে পরিবারটি বর্তমানে দিশেহারা। তারা সরকারের কাছে ভাইয়ের লাশটি দেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন, যাতে এলাকায় তাকে শেষবারের মতো দেখে দাফন করা সম্ভব হয়।

‘আমার বাবা ২৩ বছর আগে সৌদি আরবে মারা গিয়েছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo