বঙ্গোপসাগরে এলএনজি কার্গো নিয়ে নতুন একটি জাহাজ এসে পৌঁছেছে, যা এক্সিলারেট টার্মিনালে যুক্ত হয়েছে। টানা তিন দিন সরবরাহ বন্ধ থাকার পর শনিবার বিকেল থেকে পাইপলাইনে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে এক্সিলারেট। এতে গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও সংকট পুরোপুরি কাটতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) এলএনজি আমদানির দায়িত্বে রয়েছে এবং জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনে এই প্রক্রিয়া তদারক করা হয়। এলএনজি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত তিনজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার বেলা ২টা থেকে এক্সিলারেট টার্মিনাল দিয়ে ১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং রাত ৯টার পর থেকে এই সরবরাহ কিছুটা বাড়তে পারে।
দেশে গত ৯ বছর ধরে নিজস্ব প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমছে। এই ঘাটতি মোকাবিলায় ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানি শুরু করা হয়। বর্তমানে মহেশখালীতে এলএনজি সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে—একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির এবং অন্যটি দেশীয় কোম্পানি সামিটের। গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যায়। ১৫ আগস্ট নাগাদ তারা পুরোদমে এলএনজি সরবরাহের জন্য প্রস্তুত হলেও নতুন কার্গো না আসায় পুরোনো মজুত থেকে আংশিক সরবরাহ শুরু করেছিল। এক্সিলারেট বন্ধের পর থেকেই সামিট তাদের সক্ষমতার চেয়ে বেশি সরবরাহ করে আসছিল, তবে এলএনজির অভাবে মাঝে সামিট থেকেও সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়েছিল।
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে সর্বোচ্চ ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। মোট সরবরাহের মধ্যে ১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি থেকে পাওয়ার কথা থাকলেও গত এক মাস ধরে গড়ে সক্ষমতার অর্ধেক গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। শনিবার দুপুর ১২টায় এলএনজি সরবরাহ ছিল ৫৮ কোটি ঘনফুট, যা বিকেলে বেড়ে ৬৮ কোটি ঘনফুট হয়েছে। এতে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩০ কোটি ঘনফুট। রাতে এলএনজি সরবরাহ ৭৫ কোটি ঘনফুটে উন্নীত হলে মোট সরবরাহ ২৩৭ কোটি ঘনফুটে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এই হারে সরবরাহ অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এতে গ্যাসের সংকট পুরোপুরি কাটবে না।
এলএনজি আমদানির সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নিয়মিত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কম দামে এলএনজি কিনতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বেশ কিছু কার্গোর ক্রয়াদেশ দিয়েছিল জ্বালানি বিভাগ। এর মধ্যে আগস্ট মাসে চারটি কার্গো আসার কথা থাকলেও একটিও সময়মতো আসেনি। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনা কার্গোগুলো না আসায় এলএনজি ঘাটতি তৈরি হয়েছে। গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে তিন দফায় দরপত্র ডেকে এ মাসের জন্য দুটো এলএনজি কার্গো পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি কার্গো শনিবার দুপুরে এসেছে এবং রাতেই এটি থেকে টার্মিনালে এলএনজি খালাস হবে। আরেকটি এলএনজি কার্গো ২৬-২৭ আগস্ট আসার কথা রয়েছে।
জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা না করার উদ্দেশ্যেই বিরোধী দল পরিকল্পিতভাবে সংসদ ত্যাগ করেছে…
অর্থ সংকটের কারণে মেডিকেল শিক্ষা ব্যাহত হওয়া নাটোরের শিক্ষার্থী মোছা. ফাতেমা খানমের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।…
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন…
পিরোজপুরের নেছারাবাদে রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজে এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সম্মাননা প্রদান…
রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে ‘আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণে ১৫ জন নিহত হয়েছেন,…
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের কাজের পরিধি বাড়ানোর ধারাবাহিকতায় এবার কানাডার মাটিতে বাংলাদেশি সিনেমায় জুটি বাঁধছেন চিত্রনায়ক…
This website uses cookies.