শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার
- আপডেট সময় : ০৫:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সরকার কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, যাদের অবদান ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে এবং দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, শিশুদের তাদের সম্পর্কে জানানো অত্যন্ত জরুরি। তবে বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের জন্য এ বিষয়ে পর্যাপ্ত বই, লেখনী ও চলচ্চিত্র তৈরি হয়নি।
প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের জন্য বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস এবং স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র অর্জনে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, তাদের অবদান পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সঠিক ইতিহাস প্রচারের লক্ষ্যে কাজ করছে এবং এ ধরনের উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে মন্ত্রণালয় প্রস্তুত রয়েছে।
বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের বই ইংরেজিতে অনুবাদ করে প্রকাশ করা দরকার, যাতে প্রবাসে থাকা নতুন প্রজন্মও বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ত্যাগী নেতাদের অবদান সম্পর্কে সহজে জানতে পারে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা স্মরণ করে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ‘আই রিভোল্ট’ না বললে হয়তো বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতো না। একই সঙ্গে তিনি দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার অবদান উল্লেখ করে বলেন, তিনি জীবন বাজি রেখে গণতন্ত্র রক্ষা ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছেন। তাদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে না ধরলে সময়ের সঙ্গে তা হারিয়ে যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার অর্জিত হয়েছে। এই অর্জন রক্ষা করতে হবে এবং দেশে যাতে আবার ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে জন্য সর্বস্তরের জনগণকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান তিনি।
প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’-এর স্বত্বাধিকারী দীপান্ত রায়হানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, এস এম জিলানী, কে এম বাবর এবং মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু। এছাড়া রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তাহমিনা আক্তার টপি, সাংবাদিক এহসান মাহমুদ, লেখক কালাম ফারায়েজি, বইয়ের লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা, কবি মিন্টু হক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও তৌহিদুর রহমান আওয়াল বক্তব্য রাখেন।
























