ঢাকার শাহবাগ থানায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় ‘নতুন ধারা বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী এবং দলটির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো অন্য আসামিরা হলেন—দলের ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল ও হরী সরকার। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মনিরুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটকে রাখার আবেদন জানান। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম আদালতের এই আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শুনানি চলাকালে শান্তা ফারজানা ও মোমিন মেহেদীর পক্ষে একাধিক ওকালতনামা থাকায় তাদের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে অপর চার আসামির পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন তাদের আইনজীবী মফিজুল ইসলাম আসলাম। তিনি আদালতে দাবি করেন, শান্তা ফারজানাকে আয়াস নামের এক ছেলে চড় মারার ঘটনার প্রতিবাদে তারা প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করেছিলেন। সেখানে তাদের ওপর হামলা ও মারধর করা হয়। পরবর্তীতে তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলেও মারধরের শিকার হন। আইনজীবী আরও বলেন, এই চারজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং পুলিশ তাদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে। তাই তিনি তাদের জামিনের আবেদন জানান।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন। তিনি আসামিদের ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তারা ভিন্ন একটি দল গঠন করে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিদ্বেষমূলক কথা ছড়াচ্ছেন। এর প্রতিবাদ করায় তারা আয়াসকে মারধর করেছেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে শুনানির সময় আসামিদের এজলাসে হাজির করা হয়নি।
বাবুল সরদার নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় এই ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে, গত মঙ্গলবার রাতে আহতরা চিকিৎসা নিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গেলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ বাধে। এই ঘটনার জেরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় বন্ধ ছিল। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে রাত ১১টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশি পাহারায় তাদের শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
তাদের বিরুদ্ধে বাবুল সরদার নামে এক ব্যক্তি মামলা দায়ের করেন। মামলায় এই ছয়জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহতরা চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে গেলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে। এতে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা দেড় ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ থাকে।
‘ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।’— রবীন্দ্রনাথের এই আহ্বানকে…
আগামী ৩ অক্টোবর ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলতে আসার আগে ভারতীয় ফুটবলের সংস্কৃতি ও তৃণমূল…
বিয়ে ও দাম্পত্য জীবনের প্রচলিত প্রথা নিয়ে নিজের খোলামেলা মতামত জানালেন অভিনেত্রী ও গায়িকা শ্রুতি…
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সৌদি আরবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেশটির পাশে…
বারিধারায় ফুটপাতে নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসানকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের সঙ্গে ৯ লাখ টাকায়…
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারে ১৩২তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের (জেসিএসসি) সমাপনী ও সনদপত্র…
This website uses cookies.