Header Premium (728×90)

Categories: জাতীয়

খানজাহান আলী মাজারের কুমিরটিকে কোথায় রাখা হবে, সিদ্ধান্ত ঝুলে

বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে আনা মাদি কুমিরটিকে কোথায় রাখা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। কুমিরটিকে সাফারি পার্ক বা অন্য কোনো উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তরের প্রস্তাব গত মাসেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে বন বিভাগ। তবে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল জানান, বর্তমানে কুমিরটি খুলনার বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে রয়েছে এবং সুস্থ আছে। তবে এ ধরনের কেন্দ্রে কোনো বন্য প্রাণীকে দীর্ঘ মেয়াদে রাখা সম্ভব নয়। এ কারণেই প্রাণীটিকে বৃহত্তর আবাসস্থলে স্থানান্তরের জন্য গত মাসে ঢাকার বন সংরক্ষক, বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত পাওয়ার পরপরই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাজার কর্তৃপক্ষ কুমিরটিকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো নতুন আবেদন করেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্মল কুমার পাল জানান, জেলা প্রশাসন বা মাজার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নতুন করে কিছু জানানো হয়নি। তবে গত বছরের আগস্টে মাজার কর্তৃপক্ষ দুটি কুমির চেয়ে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে একটি আবেদন করেছিল, যা গত সপ্তাহে বন বিভাগের হাতে এসে পৌঁছেছে। তবে আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী এ ধরনের বন্য প্রাণী পালনের অনুমতি না থাকায় আবেদনটি ঢাকার বন সার্কেল অফিসে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর প্রায় দুই মাস কুমিরটি কোনো খাবার খায়নি। বন বিভাগ এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার কুমির বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দী অবস্থায় কুমির দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকলেও উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই এবং জোর করে খাওয়ানোর প্রয়োজন নেই। নির্মল কুমার পাল জানান, বন্দী অবস্থায় কুমির অনেক সময় দুই-চার মাস, এমনকি এক-দুই বছর পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে পারে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ১ জুন, যখন মাজারসংলগ্ন দিঘিতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে টেনে নিয়ে যায় প্রায় ৪৫ বছর বয়সী এই মাদি কুমিরটি। শিশুটির মৃত্যুর পর জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পরদিন রাতে কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে ৩ জুন জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনায় নিয়ে যায়। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কুমিরটির দৈর্ঘ্য প্রায় সাত থেকে আট ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি। বাংলাদেশে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ বর্তমানে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে, যদিও ২০০০ সালে আইইউসিএন এটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছিল।

আইন অনুযায়ী মতামতের জন্য সেটিও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।.১৯ দিনেও খাবার মুখে তোলেনি খানজাহান আলী দিঘির সেই কুমির.গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল।নির্মল কুমার পাল বলেন, কুমিরটি বর্তমানে

এর পর থেকে প্রাণীটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে আছে।.খানজাহান আলী মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো কুমিরটি.খানজাহান আলী মাজারের দিঘির কুমিরটি হিংস্র হয়ে উঠছে কেন.বন বিভাগের তথ্য মতে, কুমিরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ থেকে ৮ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি।বাংলাদেশে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন করে গুর

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

Recent Posts

মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা

লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির সময়সূচি দুই দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী…

33 minutes ago

নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের রডের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ…

49 minutes ago

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা শীতকালীন আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত বছর সেভেন…

57 minutes ago

বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সামনের মহাসড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে…

60 minutes ago

সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাত সাবেক সংসদ সদস্য এবং…

1 hour ago

আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী…

1 hour ago

This website uses cookies.