ফ্রান্সজুড়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভে মঙ্গলবার ৪৪০ জনকে আটক করা হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক। প্যারিসের উপকণ্ঠে শুরু হওয়া এই আন্দোলন গত কয়েক দিনে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা মূলত অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, শ্রেণিকক্ষে জায়গার সংকট এবং শিক্ষকসংকটসহ শিক্ষাব্যবস্থার নানা অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবেশপথ অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করছে।
ফ্রান্সের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবারের এই কর্মসূচির ফলে ৩৩০টিরও বেশি স্কুলের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালে বিভিন্ন স্থানে ময়লার পাত্রে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি বাসস্টপ ও অন্যান্য স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কিছু এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ফরাসি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের ছোড়া বিভিন্ন বস্তু মোকাবিলায় পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গলবারের বিক্ষোভে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও আহত হয়েছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অন্তত ৪৮ জন পুলিশ সদস্যের আহত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ১৬ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী এএফপিকে জানান, শিক্ষাব্যবস্থার নানা সমস্যার প্রতিবাদ জানাতেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। তার ভাষ্যমতে, অনেক শ্রেণিকক্ষে ৩৪ জন করে শিক্ষার্থী থাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এদিকে শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকারকে সমর্থন জানালেও সহিংসতা, ভাঙচুর বা স্কুল অবরোধের মাধ্যমে অন্যদের ঝুঁকিতে ফেলার কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার মতে, প্রতিবাদের অধিকারকে সহিংস কর্মকাণ্ডের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের সংগঠন ইউনিয়ন সিন্ডিকাল লিসেয়েনের সভাপতি রিয়াদ রানি সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের অভিযোগও করেছেন। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছেন যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপ ছিল ভারসাম্যপূর্ণ। গত সপ্তাহে প্যারিসের পার্শ্ববর্তী ইল-দ্য-ফ্রঁস অঞ্চলে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। উল্লেখ্য, এর আগে বিক্ষোভের ঘটনায় ১৬৪ জনকে আটক করা হয়েছিল। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পাশাপাশি মঙ্গলবার দেশজুড়ে সরকারি কর্মীদের ধর্মঘটও পালিত হয়েছে, যেখানে শিক্ষক, হাসপাতালকর্মী ও দমকলকর্মীরা বেতন ও কর্মপরিবেশসহ নানা দাবিতে অংশ নেন। এই যুগপৎ বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের কারণে অনেক এলাকায় পরিবহন ও বিমান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব…
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৪৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা…
খুলনার কয়রা উপজেলার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকট নিরসনে প্রায় ৬০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের একটি মাস্টার প্ল্যান…
সারা দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী…
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র…
পাবনার ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১ লাখ ২০…
This website uses cookies.