প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ৫৮। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে দেশটির তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র দুটি মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। এই পাল্টাপাল্টি হামলায় পারস্য উপসাগর ও এর বাইরে আবারও জাহাজ চলাচল নিয়ে সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে তাদের অনুমতি ছাড়া জাহাজ চলাচল ঠেকানোর চেষ্টা করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জাহাজ ও তেল পরিবহনে হামলা চালাচ্ছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, একটি বিমানবাহী রণতরি ও একটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে ইরান একাধিক উসকানিহীন হামলা চালায়, যা মার্কিন নৌযান দুটি এড়িয়ে যায়। এর জবাবে খারগ দ্বীপের কাছে এম/টি ডাউনি এবং জাস্কের কাছে এম/টি স্টার্ক-১–এ হামলা চালিয়ে এগুলোকে স্থায়ীভাবে অচল করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পারস্য উপসাগরের বাইরে এম/টি কাইলো–তেও হামলা চালানো হয়েছে, যা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে বলে সেন্টকম দাবি করেছে। মার্কিন বাহিনীর ভাষ্যমতে, এসব জাহাজ আইআরজিসি ও তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অর্থায়নকারী ছায়া নেটওয়ার্কের অংশ, যা ইরানের তেল বাণিজ্য থেকে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করে।
সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সতর্ক করে বলেছেন, দুটি মার্কিন জাহাজে হামলার পর ইরানকে এর চেয়েও বড় অর্থনৈতিক মূল্য দিতে হবে এবং মার্কিন বাহিনী তাদের সেনাদের রক্ষায় পিছপা হবে না। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান মার্কিন জাহাজে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংস বা ডুবিয়ে দেবে এবং প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্য বা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ইরানের ট্যাংকার বহরেও হামলা চালানো হতে পারে। তার মতে, ইরানের ট্যাংকার বহর অরক্ষিত এবং দেশটির কোনো নৌবাহিনী বা বিমানবাহিনী নেই।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, দেশটির কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের জোরালো জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়েছে, খারগ দ্বীপের কাছে থাকা একটি ট্যাংকারে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, তবে এতে কেউ হতাহত হননি। সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন হামলার আগে উড়োজাহাজ থেকে ট্যাংকারটির ক্রুদের সতর্ক করে ১০ মিনিটের মধ্যে পেছনের অংশ খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে দুই দেশের সংঘাতের ঝুঁকি এখন তুঙ্গে। ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপ, যার মাধ্যমে দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়, বারবার হামলার লক্ষ্য হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধের কারণে খারগের কাছে প্রায় ২০টি তেলবাহী ট্যাংকার আটকে আছে এবং পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরে ইরানের আরও ৫০টির বেশি ট্যাংকার রয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছেন যে, সংঘাত শেষ করার সিদ্ধান্ত ইরানের ওপরই নির্ভর করছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করেছেন যে, কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা…
জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এই আলোচনার পর…
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন…
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেটস ফাউন্ডেশন, ভিসা ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন…
ডেঙ্গু ও হামে মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম…
নিউইয়র্কে আয়োজিত জাতিসংঘের এক বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক…
This website uses cookies.