দেশে হামের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। গতকাল বুধবার ৩ শিশুর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দেশে হামে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। গত প্রায় আট বছর ধরে যেখানে বছরে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর বেশি হয়নি, সেখানে এবার পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালের ‘রেড জোন’ চিহ্নিত শিশু ওয়ার্ডের সামনে মাত্র এক ঘণ্টা অবস্থান করেই দেখা গেছে ৪টি অসুস্থ শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে, বিপরীতে ছাড়পত্র পেয়েছে ১০ জনের বেশি শিশু।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ৪৯ জন হামের রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে মাত্র ৭টি আইসিইউ শয্যা খালি ছিল। অপরদিকে, সাধারণ ওয়ার্ডে ২৫১টি শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি ছিলেন ২৯৯ জন। সব মিলিয়ে বুধবার হাসপাতালটিতে আইসিইউ, এইচডিইউ ও সাধারণ ওয়ার্ডে মোট ৬৪৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন।
সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, আক্রান্ত শিশুদের কোলে নিয়ে সেবা করছেন স্বজনরা, যাদের অধিকাংশের শরীরেই হামের লালচে ফুসকুড়ি বা র্যাশ স্পষ্ট। ঢাকার বাইরের রোগীরা প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করালেও হাম ধরা পড়ার পর সরাসরি রাজধানীতে চলে আসছেন। তবে ঢাকার বাসিন্দাদের অনেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের আলাদা ওয়ার্ড না থাকার বিষয়টি না জেনে সেখানে গিয়ে ফিরে এসেছেন এবং পরবর্তীতে তাদের শিশুদের ডিএনসিসি হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১১ মাস বয়সী শিশু মোহাম্মদ মোস্তফার মা রেখা আক্তার ফারজানা (২৮) নিজেও ১০ দিন আগে এই ডিএনসিসি হাসপাতালেই হামের চিকিৎসা নিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরই তার সন্তান মোস্তফা হামে আক্রান্ত হয়। মোস্তফার নানা মোহাম্মদ রফিক জানান, মেয়ে নিজেই এখানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছিল, তাই নাতির অসুস্থতা দেখে আর দেরি না করে সরাসরি নান্দাইল থেকে তারা এখানে চলে এসেছেন। দুই দিন ভর্তির পর শিশুটি এখন ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে আসা ৮ মাস বয়সী শিশু রেসালাতকে দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মা সায়মা জানান, এক সপ্তাহ ধরে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও জ্বর ও ঠান্ডা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে তারা ঢাকায় আসেন। সায়মা অভিযোগ করেন, স্থানীয় বা বেসরকারি হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না এবং হামের কারণে বাচ্চার অন্য কোনো ওষুধে কাজ হচ্ছে না। বাচ্চার অসুস্থতায় পরিবারের সবাই নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।
আড়াইহাজার থেকে আসা ১১ মাস বয়সী আরেক শিশু মাইদুলের শরীরও প্রচণ্ড লাল হয়ে গিয়েছিল। তার স্বজন জ্যোস্না জানান, ডিএনসিসিতে ভর্তি করার পর মাইদুল এখন আগের চেয়ে ভালো আছে এবং তার বুকের এক্স-রে রিপোর্টও ভালো এসেছে।
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ী বাজারে অনিয়মের অভিযোগে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ…
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের একটি বাসা থেকে নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোশতাক আহমেদ রুহীকে…
যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করছেন না ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন…
সার্বিক মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী প্রবণতায় থাকলেও তা চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার বেশি হওয়ায় নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখেছে…
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করতে বিদেশি ট্রেডিং পার্টনার ব্যাংকের নামে প্রারম্ভিক জমা ছাড়াই টাকা ভস্ট্র অ্যাকাউন্ট…
পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন সীমান্ত চুক্তিকে আইনি ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। বিতর্কিত…
This website uses cookies.