ভোলা জেলার স্কাউটিং ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জনের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন একেএম আব্দুল্লাহ। বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রোগ্রাম বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ২০২৫ সালের জাতীয় পর্যায়ের এই অ্যাওয়ার্ডের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। সারা বাংলাদেশ থেকে উপজেলা, জেলা ও অঞ্চল পর্যায়ে মনোনীত হওয়ার পর জাতীয় মূল্যায়নে অংশ নিয়ে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন।
গত ১৮ থেকে ২০ জুন ২০২৬ তারিখে গাজীপুরের মৌচাকের জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রার্থীদের মৌখিক, ব্যবহারিক ও সাঁতার মূল্যায়ন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ভোলা সদর উপজেলা থেকে এই মূল্যায়নে অংশ নিয়ে একেএম আব্দুল্লাহ মনোনীত হয়েছেন। তিনি ভোলা আবদুর রব স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। তার সঙ্গে বোরহানউদ্দিন উপজেলা থেকে মাইশা জান্নাত ও শুয়াইব আনামও এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছেন। এর আগে চরফ্যাশন উপজেলা থেকে পিএস অ্যাওয়ার্ড পাওয়া গেলেও, জেলা হিসেবে ভোলা ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা থেকে এই প্রথম কেউ এই সম্মান অর্জনের গৌরব অর্জন করল।
আব্দুল্লাহর স্কাউটিং জীবনের হাতেখড়ি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়, তার বাবা মনিরুল ইসলামের হাত ধরে। মনিরুল ইসলাম বর্তমানে ভোলা জেলা স্কাউটের উপ-আঞ্চলিক কমিশনার এবং ভোলা সদর উপজেলার প্রথম এএলটি ও বরিশাল অঞ্চলের প্রথম ডিআরসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আব্দুল্লাহ ২০২৩ সালে মৌচাকের জাতীয় জাম্বুরিতে অংশগ্রহণ করে গৌরব পতাকা অর্জন করেছিলেন। এছাড়া জাতীয় দিবসগুলোতে তিনি জেলা স্কাউটের পক্ষ থেকে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেন। এর আগে তিনি, তার বাবা মনিরুল ইসলাম এবং তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভোলা আবদুর রব স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোলা সদর উপজেলায় স্কাউটে শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন।
নিজের সাফল্যের প্রতিক্রিয়ায় আব্দুল্লাহ বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবার হাত ধরে স্কাউটিংয়ের হাতেখড়ি হয়। বাবা স্কাউট লিডার হওয়ায় তার আগ্রহ দেখে বিভিন্ন দীক্ষা দিয়ে সহায়তা করেছেন। এরপর থেকে স্কাউট বিষয়ে জ্ঞান অর্জন ও চর্চা শুরু করেন। তিনি আরও জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকরা তাকে বিভিন্ন পর্যায়ে স্কাউটে অংশগ্রহণ করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে জীবনের সেরা সাফল্য অর্জনের পেছনে এটি কেবল তার একার সাফল্য নয়, বরং স্কুলের সবার সাফল্য বলে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তার বাবা মো. মনিরুল ইসলাম ছেলের এই সাফল্যে গর্বিত। তিনি মনে করেন, প্রতিটি বাবারই উচিত সন্তানদের পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করা, যাতে সন্তানরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে।
আব্দুল্লাহর এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভোলা আবদুর রব স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাফিয়া খাতুন, জেলা স্কাউট সম্পাদক হাসান মিজানুর রহমান মিঠু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সজল কুমার দাস, জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমানসহ বরিশাল অঞ্চল ও সদর দপ্তরের স্কাউট কর্মকর্তারা। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে স্কাউটিংয়ে ভোলা জেলা আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
প্রার্থীদের মৌখিক, ব্যবহারিক ও সাঁতার মূল্যায়ন ক্যাম্প গত ১৮-২০ জুন ২০২৬ জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মৌচাক গাজীপুরে অনুষ্ঠিত হয়।
এ কে এম আব্দুল্লাহ জানান, আমি যখন ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পরি তখন বাবার হাত ধরে আমার স্কাউটিংয়ের হাতে খড়ি।
লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ২১ বছরের যাত্রায় আর্জেন্টিনার ঘরের মাঠ বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামের সঙ্গে…
ভারতের পাঁচটি বিধানসভা ও একটি লোকসভা আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গ,…
টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম বাড়ায় আবারও ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক। ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী,…
দেশে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না অনলাইন জুয়া। মেহেরপুর, নড়াইল, গাজীপুর ও কক্সবাজারসহ অন্তত আটটি…
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করেছে মন্ত্রিসভা। সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে…
প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সিস্টেম মাইগ্রেশনের অজুহাতে দেশের ৩০টি ব্যাংক তাদের এটিএম, সিআরএম ও কার্ড…
This website uses cookies.