মোঃ পলাশ সালমান
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জ জেলা কটিয়াদী উপজেলাতে শফিকুল ইসলাম ওরফে কালা মিয়া (৩২) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে পুলিশ।
কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলামের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল আসামি বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে, শুধু তাই নয়, গ্রেফতারকৃত আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিটিও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
১ জুলাই বিকেলে কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝিড়ারপাড় এলাকার ১টি ঝোপঝাড় থেকে বাবুল মিয়াকে সাথে নিয়ে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২৭ জুন শনিবার সন্ধ্যায় লোহাজুরী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝিড়ারপাড় গ্রামের বৈশাকুরা ঈদগাহ-সংলগ্ন সড়কের পাশে শফিকুল ইসলামকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়, স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন, নিহত শফিকুল পেশায় ১ জন কৃষক এবং স্থানীয় দুলা মিয়ার ছেলে।
হত্যাকাণ্ডের পর পরই কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসির নির্দেশে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নামে, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পার্শ্ববর্তী কুলিয়ারচর উপজেলা থেকে মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত বাবুল মিয়া একই গ্রামের শহীদুল্লাহর ছেলে এবং সম্পর্কে সে নিহতের চাচাতো ভাগনে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
পুলিশ যখন খুনি বাবুল মিয়াকে সাথে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তখন সেখানে হাজারো উৎসুক জনতার ঢল নামে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং খুনি বাবুলের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসী বিভিন্ন স্লোগান দেন, স্থানীয়দের মধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করতপ দেখা যায়।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় বোন বেগম আক্তার বাদী হয়ে বাবুল মিয়ার নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে আসামি করে কটিয়াদী মডেল থানায় ১টি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
নিহতের বোন বলেন, বাবুল আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি জোর পূর্বক দখল করে রেখেছিল, এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় সে প্রতিনিয়ত আমাদের হুমকি দিতেন, আমাদের ধারণা, আমার ভাইকে একা বাবুল মারেনি, এর পিছনে আরও অনেকেই জড়িত রয়েছে, আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল ইসলাম জানান, অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ অত্যন্ত তৎপর ছিল, ঘটনার পর পরই দক্ষতার সাথে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ উদঘাটন এবং এই ঘটনার পিছনে অন্য কোন সহযোগী বা মাস্টারমাইন্ড জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আমাদের তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।
ফখরুল আলম সাজু ফেনী জেলা ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর যশপুর রৌশন ফকির মাজার সংলগ্ন এলাকায় ট্রাক্টর…
ফখরুল আলম সাজু রাজধানী ঢাকাতে বর্তমানে ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এআই-ভিত্তিক ট্রাফিক ক্যামেরা চালু রয়েছে বলে…
তিমির চন্দ্র দাস, ক্রাইম রিপোর্টার ফেনী: ফেনী জেলা সোনাগাজী উপজেলা মতিগঞ্জে ময়লার স্তূপে কারণে অতিষ্ঠ…
স্টাফ রিপোর্টার রংপুর। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদের ক্রমাগত ভাঙনে বসতভিটা ও ফসলি…
স্টাফ রিপোর্টার রংপুর: রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এর দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ…
স্টাফ রিপোর্টার রংপুর: আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দেশের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা…
This website uses cookies.