ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো সফল বিক্রিয়া সম্পন্ন সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১০ হাজার অভিবাসী নিজ দেশে ফেরত রিয়াদের বিমানবন্দর বন্ধের সময়সীমা বাড়ায় বিমানের ফ্লাইট স্থগিত জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যেন দেশের স্বার্থে ব্যয় হয়: প্রধানমন্ত্রী রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে নিয়োগ বঞ্চিতদের আমরণ অনশন দাকোপে ঢাকী নদীর ভাঙনে বিলীন বেড়িবাঁধ, আতঙ্কে স্থানীয়রা ডেঙ্গুতে প্রাণহানি ৩০০ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২১৯৩ জন ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসছে ইসি কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যায় সিএনজিচালক গ্রেপ্তার, রয়ে গেছে নানা প্রশ্ন

হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ৩ জনের যাবজ্জীবন

নিরেন দাস,স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪ ৩২০ বার পড়া হয়েছে

হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ৩ জনের যাবজ্জীবন

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




নিরেন দাস,স্টাফ রিপোর্টার:

জয়পুরহাট শহরের দস্তপুর গ্রামে শত্রুতার জেরে কৃষক বুলু মিয়া (৪০) হত্যার ঘটনায় মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- জয়পুরহাট সদর উপজেলার দস্তপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া, গণিরাজের ছেলে এমরান আলী ওরফে নুহ এবং আউশগাড়া গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে বাবু মিয়া।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘটনার প্রায় ২০ বছর আগে সদর উপজেলার দাদড়া গ্রামের বুলু মিয়া (৪০) একই উপজেলার দস্তপুর গ্রামের তাহেরা বেগমকে বিয়ে করে সেখানেই ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। ২০০৫ সালের ৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার দিকে বুলু বাড়ি থেকে বের হয়ে ফেরেননি। পরদিন ৪ এপ্রিল সকালে দস্তপুর গ্রামের আমজাদ রাজের বাড়ি থেকে দুইশ গজ দূরে আমজাদের বায়োগ্যাস তৈরির ট্যাংকিতে রক্তের দাগ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ট্যাংকির ভেতর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বুলুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। ওইদিন নিহতের ভাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তিন জনের নাম উল্লেখ করে জয়পুরহাট সদর থানার মামলা করেন।

পরবর্তী সময়ে মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আমজাদ হোসেন ২০০৫ সালের ৯ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আসামিদের উপস্থিতিতে আদালতের এ রায় দেন।

মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল ও এপিপি উদয় সিংহ। আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নন্দকিশোর আগরওয়ালা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ৩ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৭:১৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

নিরেন দাস,স্টাফ রিপোর্টার:

জয়পুরহাট শহরের দস্তপুর গ্রামে শত্রুতার জেরে কৃষক বুলু মিয়া (৪০) হত্যার ঘটনায় মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- জয়পুরহাট সদর উপজেলার দস্তপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া, গণিরাজের ছেলে এমরান আলী ওরফে নুহ এবং আউশগাড়া গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে বাবু মিয়া।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘটনার প্রায় ২০ বছর আগে সদর উপজেলার দাদড়া গ্রামের বুলু মিয়া (৪০) একই উপজেলার দস্তপুর গ্রামের তাহেরা বেগমকে বিয়ে করে সেখানেই ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। ২০০৫ সালের ৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার দিকে বুলু বাড়ি থেকে বের হয়ে ফেরেননি। পরদিন ৪ এপ্রিল সকালে দস্তপুর গ্রামের আমজাদ রাজের বাড়ি থেকে দুইশ গজ দূরে আমজাদের বায়োগ্যাস তৈরির ট্যাংকিতে রক্তের দাগ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ট্যাংকির ভেতর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বুলুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। ওইদিন নিহতের ভাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তিন জনের নাম উল্লেখ করে জয়পুরহাট সদর থানার মামলা করেন।

পরবর্তী সময়ে মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আমজাদ হোসেন ২০০৫ সালের ৯ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আসামিদের উপস্থিতিতে আদালতের এ রায় দেন।

মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল ও এপিপি উদয় সিংহ। আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নন্দকিশোর আগরওয়ালা।