ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
 স্বার্থের ভিড়ে মানুষ কাফনের পথে সফর  ঝড়ের আগে পৃথিবী ফুলগাজী আমজাদ হাট ভারতীয় গাঁজা ও স্ট্রবেরিসহ স্থানীয়দের হাতে যুবক আটক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধরা নারায়ণগঞ্জের সেই ছিনতাইকারী, পিস্তল-গুলি উদ্ধার ফুলগাজীতে অবৈধ ভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, চৌমুহনী সরকারি সালেহ আহমেদ কলেজ সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত অগ্নি ও ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত বগুড়ার শেরপুরে ১৩ বছরের এক কিশোরকে রাতভর আটকে শারীরিক নির্যাতন উলঙ্গ করে নাচানোর ভিডিও ধারণ। রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে জমজমাট ইফতার মাহফিল, দুই শতাধিক সাংবাদিক ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি

হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ৩ জনের যাবজ্জীবন

নিরেন দাস,স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ৩ জনের যাবজ্জীবন

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নিরেন দাস,স্টাফ রিপোর্টার:

জয়পুরহাট শহরের দস্তপুর গ্রামে শত্রুতার জেরে কৃষক বুলু মিয়া (৪০) হত্যার ঘটনায় মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- জয়পুরহাট সদর উপজেলার দস্তপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া, গণিরাজের ছেলে এমরান আলী ওরফে নুহ এবং আউশগাড়া গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে বাবু মিয়া।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘটনার প্রায় ২০ বছর আগে সদর উপজেলার দাদড়া গ্রামের বুলু মিয়া (৪০) একই উপজেলার দস্তপুর গ্রামের তাহেরা বেগমকে বিয়ে করে সেখানেই ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। ২০০৫ সালের ৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার দিকে বুলু বাড়ি থেকে বের হয়ে ফেরেননি। পরদিন ৪ এপ্রিল সকালে দস্তপুর গ্রামের আমজাদ রাজের বাড়ি থেকে দুইশ গজ দূরে আমজাদের বায়োগ্যাস তৈরির ট্যাংকিতে রক্তের দাগ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ট্যাংকির ভেতর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বুলুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। ওইদিন নিহতের ভাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তিন জনের নাম উল্লেখ করে জয়পুরহাট সদর থানার মামলা করেন।

পরবর্তী সময়ে মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আমজাদ হোসেন ২০০৫ সালের ৯ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আসামিদের উপস্থিতিতে আদালতের এ রায় দেন।

মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল ও এপিপি উদয় সিংহ। আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নন্দকিশোর আগরওয়ালা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ৩ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৭:১৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪
print news

নিরেন দাস,স্টাফ রিপোর্টার:

জয়পুরহাট শহরের দস্তপুর গ্রামে শত্রুতার জেরে কৃষক বুলু মিয়া (৪০) হত্যার ঘটনায় মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- জয়পুরহাট সদর উপজেলার দস্তপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া, গণিরাজের ছেলে এমরান আলী ওরফে নুহ এবং আউশগাড়া গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে বাবু মিয়া।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘটনার প্রায় ২০ বছর আগে সদর উপজেলার দাদড়া গ্রামের বুলু মিয়া (৪০) একই উপজেলার দস্তপুর গ্রামের তাহেরা বেগমকে বিয়ে করে সেখানেই ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। ২০০৫ সালের ৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার দিকে বুলু বাড়ি থেকে বের হয়ে ফেরেননি। পরদিন ৪ এপ্রিল সকালে দস্তপুর গ্রামের আমজাদ রাজের বাড়ি থেকে দুইশ গজ দূরে আমজাদের বায়োগ্যাস তৈরির ট্যাংকিতে রক্তের দাগ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ট্যাংকির ভেতর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বুলুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। ওইদিন নিহতের ভাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তিন জনের নাম উল্লেখ করে জয়পুরহাট সদর থানার মামলা করেন।

পরবর্তী সময়ে মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আমজাদ হোসেন ২০০৫ সালের ৯ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আসামিদের উপস্থিতিতে আদালতের এ রায় দেন।

মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল ও এপিপি উদয় সিংহ। আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নন্দকিশোর আগরওয়ালা।