বগুড়ার মানবিক জেলা প্রশাসক, কারামুক্তি এক আসামিকে অটোরিকশা প্রদান করলেন,
- আপডেট সময় : ১০:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৩ ১৯১ বার পড়া হয়েছে

যখন সময় এর নিজস্ব প্রতিবেদনঃ “পাপকে ঘৃণা কর পাপীকে নয়” এই কথাটা আমরা সবাই জানি কিন্তু মানি বা কয়জন, তবে পাপকে ঘৃণা কর পাপীকে নয় এই কথাটির দৃষ্টান্তমূলক প্রমাণ দিলেন বগুড়ার মানবিক জেলা প্রশাসক জনাব সাইফুল ইসলাম।
বগুড়া জেলা প্রশাসক জেলা কারাগারে কয়েকবার রুটিন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে বন্দীদের সঙ্গে নানা বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করেন। প্রথম শ্রেণীর প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সাধারণ মানুষ বাঘ মনে করে আর মনে করাই স্বাভাবিক নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারীরা কর্মকর্তাকে সাধারণ মানুষের কাছে এমন ভাবে প্রদর্শন করে বাঘ মনে করা ছাড়া কিছুই করার নেই। কিন্তু সে সব বাঘের মধ্য যে মন আছে মানবিক শব্দটা লুকিয়ে আছে আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না, কিন্তু জেলা প্রশাসক কারাগার পরিদর্শনের কালে জেলা প্রশাসককে দেখে বুঝে গিয়েছিল কাহালু উপজেলার গুরবিশা গ্রামের যাবজ্জীবন কারাভোকারী সোলায়মান আলীর ছেলে মাসুদ মন্ডল। তিনি এটাও প্রমাণ করে দিয়েছেন “মুখ যে মনের আয়না”
তাইতো অনেক কষ্টে জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন কালে চেষ্টা করতে থাকেন জেলা প্রশাসকের সাথে একটু কথা বলার। অনেক চেষ্টার পর সেই সুযোগ এসে যায়। জেলা প্রশাসককে সে জানায় ১৯৯৯ সালে একটি মামলায় সে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত হয়। কিন্তু এরই মাঝে মামলার খরচ চালাতে তার পরিবারকে ভিটেমাটি সব বিক্রি করতে হয়েছে । চলতি বছরের অক্টোবরেই তার সাজার মেয়াদ শেষ হবে। কিন্তু বের হয়ে কিভাবে জীবন ধারন করবে সেই সম্বল টুকু তার নেই। বগুড়া জেলা কারাগারের জেল সুপার জানান যাবজ্জীবন সাজাভোগকারী মোঃ মাসুদ মন্ডলের বর্তমান বয়স ৪৮। বর্তমানে সম্পূর্ণ কর্মহীন। সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু সাইদ মোঃ কাওছার রহমান জানান,মান্যবর জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক দীর্ঘমেয়াদী কারাদন্ড ভোগ শেষে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দী পূনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় অপরাধী সংশোধন ও পূনর্বাসন সমিতির মাধ্যমে আজ ২২ অক্টোবর জেলাপ্রশাসকের চত্বরে অনুষ্ঠানিকভাবে মাসুদকে একটি অটোরিক্স্রা প্রদান করা হয়েছে।























