ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে বিয়ের আসরে বর ও কনেকে রেখে পালালেন স্বজনেরা

মোঃ কবির হোসনে, জামালপুরঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে

জামালপুরে বিয়ের আসরে বর ও কনেকে রেখে পালালেন স্বজনেরা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

 

মোঃ কবির হোসেন, জামালপুরঃ

বিয়ে উপলক্ষে বর ও কনের বাড়িতে চলছিল জাঁকজমক অনুষ্ঠান। বিয়ের দিন উভয় পক্ষের আত্মীয়স্বজনের মধ্যে আনন্দ আয়োজনের কোনো ঘাটতি নেই। আমন্ত্রিত অতিথিদের খাওয়াদাওয়ার পর্বও শেষ। তবে কনে যে কিশোরী (১৪), তা নাকি জানতেন না কেউ। কিশোরী কনেকে সাজানোর কাজও চলছিল। হঠাৎ বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তাঁর উপস্থিতি টের পেয়ে বিয়েবাড়ি থেকে বর ও কনেকে ফেলে সবাই পালিয়ে যান। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাত ১টার দিকে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চারাইলদার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও জামালপুর জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, মাহমুদপুর ইউনিয়নের চারাইলদার গ্রামের ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ হচ্ছে এমন তথ্যের খবর পান জামালপুর জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ড্যাট মো. মিজানুর রহমান।পরে তিনি মেলান্দহ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাল্যবিবাহের বিষয়টি অবগত করেন। পরে রাত ১ টার দিকে দিকে ইউএনও পুলিশ সদস্য বিয়ে বাড়িতে হাজির হন। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বর কনে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যান স্বজনরা। পরে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিয়ে।এ বিষয়ে জেলা কমান্ড্যান্ট মো. মিজানুর রহমান বলেন,’আনসার ভিডিপি’র এক সদস্যের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমারা সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে বাঁচাতে সফল হই’।মেলান্দহের ইউএনও সেলিম মিঞা জানান, ‘আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে উভয় পক্ষের স্বজনেরা পালিয়ে যান। তবে আমরা সঠিক সময়ে গিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছি। বাল্যবিবাহের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

জামালপুরে বিয়ের আসরে বর ও কনেকে রেখে পালালেন স্বজনেরা

আপডেট সময় : ০৪:২৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
print news

 

মোঃ কবির হোসেন, জামালপুরঃ

বিয়ে উপলক্ষে বর ও কনের বাড়িতে চলছিল জাঁকজমক অনুষ্ঠান। বিয়ের দিন উভয় পক্ষের আত্মীয়স্বজনের মধ্যে আনন্দ আয়োজনের কোনো ঘাটতি নেই। আমন্ত্রিত অতিথিদের খাওয়াদাওয়ার পর্বও শেষ। তবে কনে যে কিশোরী (১৪), তা নাকি জানতেন না কেউ। কিশোরী কনেকে সাজানোর কাজও চলছিল। হঠাৎ বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তাঁর উপস্থিতি টের পেয়ে বিয়েবাড়ি থেকে বর ও কনেকে ফেলে সবাই পালিয়ে যান। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাত ১টার দিকে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চারাইলদার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও জামালপুর জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, মাহমুদপুর ইউনিয়নের চারাইলদার গ্রামের ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ হচ্ছে এমন তথ্যের খবর পান জামালপুর জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ড্যাট মো. মিজানুর রহমান।পরে তিনি মেলান্দহ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাল্যবিবাহের বিষয়টি অবগত করেন। পরে রাত ১ টার দিকে দিকে ইউএনও পুলিশ সদস্য বিয়ে বাড়িতে হাজির হন। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বর কনে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যান স্বজনরা। পরে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিয়ে।এ বিষয়ে জেলা কমান্ড্যান্ট মো. মিজানুর রহমান বলেন,’আনসার ভিডিপি’র এক সদস্যের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমারা সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে বাঁচাতে সফল হই’।মেলান্দহের ইউএনও সেলিম মিঞা জানান, ‘আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে উভয় পক্ষের স্বজনেরা পালিয়ে যান। তবে আমরা সঠিক সময়ে গিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছি। বাল্যবিবাহের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।