ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘোড়াঘাটে তৌহিদি জনতা পুড়িয়ে দিল রহিম ভান্ডারীর মাজার

ফাহিম হোসেন রিজু ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

ঘোড়াঘাটে তৌহিদি জনতা পুড়িয়ে দিল রহিম ভান্ডারীর মাজার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফাহিম হোসেন রিজু ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বিরাহিমপুর গুচ্ছগ্রামে অবস্থিত রহিম ভান্ডারী বাবার মাজার পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ তৌহিদি জনতা। এসময় মাজারের খাদেম এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্তরা মাজার থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম,হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার আ.ন.ম নিয়ামত উল্লাহ্‌,ঘোড়াঘাট থানার ওসি মো.নাজমুল হকসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আজ শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫ টায় দলমত নির্বিশেষে উপজেলার সকল ধর্মপ্রাণ তৌহিদি জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার স্লোগান দিয়ে মাজার প্রবেশ করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এসময় আগত অতিথিদের বিশ্রামাগার, হালকায়ে জিকির মঞ্চ, প্যান্ডেল,বিভিন্ন স্থাপনা ও ধর্মের নামে গান বাজনা ও খাবার আয়োজনের বিভিন্ন সামগ্রী ভাংচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় তৌহিদি জনতা

স্থানীয় জনতা অভিযোগ করে জানান, কথিত পীরের এই মাজারে অসামাজিক কার্যকলাপ, জিকিরের নারী-পুরুষ একত্র হয়ে গান-বাজনা ও ভণ্ডামি করে থাকে। এগুলিকে কোনভাবেই ইসলাম পছন্দ সমর্থন করেনা। মুসল্লিরা আরও বলেন, এই অনৈতিক কাজ বন্ধের দাবিতে আমরা এর আগে বিক্ষোভ মিছিল ও গণ সমাবেশ করেছি। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ওসি সহ উর্ধতন কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছি। কিন্তু কোনো ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় আমরা এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ইসলাম ও ধর্মের নামে কোনো ধরণের নোংরামি আমরা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা কোনো ভাবেই বরদাস্ত করব না

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঘোড়াঘাটে তৌহিদি জনতা পুড়িয়ে দিল রহিম ভান্ডারীর মাজার

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
print news

ফাহিম হোসেন রিজু ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বিরাহিমপুর গুচ্ছগ্রামে অবস্থিত রহিম ভান্ডারী বাবার মাজার পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ তৌহিদি জনতা। এসময় মাজারের খাদেম এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্তরা মাজার থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম,হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার আ.ন.ম নিয়ামত উল্লাহ্‌,ঘোড়াঘাট থানার ওসি মো.নাজমুল হকসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আজ শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫ টায় দলমত নির্বিশেষে উপজেলার সকল ধর্মপ্রাণ তৌহিদি জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার স্লোগান দিয়ে মাজার প্রবেশ করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এসময় আগত অতিথিদের বিশ্রামাগার, হালকায়ে জিকির মঞ্চ, প্যান্ডেল,বিভিন্ন স্থাপনা ও ধর্মের নামে গান বাজনা ও খাবার আয়োজনের বিভিন্ন সামগ্রী ভাংচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় তৌহিদি জনতা

স্থানীয় জনতা অভিযোগ করে জানান, কথিত পীরের এই মাজারে অসামাজিক কার্যকলাপ, জিকিরের নারী-পুরুষ একত্র হয়ে গান-বাজনা ও ভণ্ডামি করে থাকে। এগুলিকে কোনভাবেই ইসলাম পছন্দ সমর্থন করেনা। মুসল্লিরা আরও বলেন, এই অনৈতিক কাজ বন্ধের দাবিতে আমরা এর আগে বিক্ষোভ মিছিল ও গণ সমাবেশ করেছি। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ওসি সহ উর্ধতন কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছি। কিন্তু কোনো ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় আমরা এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ইসলাম ও ধর্মের নামে কোনো ধরণের নোংরামি আমরা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা কোনো ভাবেই বরদাস্ত করব না