ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রেজিস্ট্রেশন কার্ড আনতে গিয়ে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ শিক্ষার্থী স্পেসএক্সের রকেট উৎক্ষেপণের পর আকাশে দেখা গেল জেলিফিশ মেঘ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫ রোনালদোর আচরণ নিয়ে বিস্ফোরক সমালোচনা করলেন সাবেক সতীর্থ রুনি সন্তান হারিয়ে ৫০ দিন পর কক্সবাজার ছাড়ল নিউজিল্যান্ডের পরিবার হবিগঞ্জে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ আহত ৪৫ ওমর সানী: পরিবার ও শিল্পীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্যের প্রতিবাদ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পদত্যাগ করিনি, সুস্থ হয়ে চুয়েটে ফিরব: উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল হাসপাতাল থেকে কারাগারে ফিরলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু রাজধানীতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

গাজীপুর ইউপিতে পোস্টার ঘিরে রহস্য, প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ২ নম্বর গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদে রাতের আঁধারে লাগানো কিছু পোস্টার ঘিরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও গাজীপুর বাজারের বিভিন্ন স্থাপনায় প্রশাসক মো. মাহাবুব আলম এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য কামরুন্নাহার চন্দনার ছবি সংবলিত এসব পোস্টার দেখা গেছে। পোস্টারে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ তোলা হলেও এর সপক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

পোস্টারের বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দা রতন জানান, সকালে এসব পোস্টার দেয়াল ও বিভিন্ন স্থাপনায় দেখতে পান এলাকাবাসী। পোস্টারে কোথাও ‘জনপ্রতিনিধির আসনে দায়িত্ব, নাকি অনৈতিক প্রেম?’ আবার কোথাও ‘ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রভাব নয়, ইউনিয়ন পরিষদে জনগণের সেবা চাই’—এমন বিভিন্ন বক্তব্য লেখা রয়েছে। তবে কে বা কারা এই পোস্টার ছাপিয়েছে, কোথা থেকে ছবি সংগ্রহ করেছে বা রাতের আঁধারে কারা টাঙিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সংরক্ষিত নারী সদস্য কামরুন্নাহার চন্দনা বলেন, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা। তিনি জানান, প্রশাসকের সঙ্গে তার কেবল প্রশাসনিক সম্পর্কই রয়েছে, ব্যক্তিগত কোনো যোগাযোগ নেই। একটি বরাদ্দের কাজকে কেন্দ্র করে কোনো মহল তার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রশাসক মো. মাহাবুব আলমও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, নারী সদস্যের সঙ্গে তার কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই। তিনি আরও জানান, কয়েক দিন আগে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আমজাত মেম্বারের সঙ্গে একটি বিষয় নিয়ে তার কথা কাটাকাটি হয়েছিল; এই ঘটনার জের ধরে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন প্রচারণা চালাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, ইউনিয়ন পরিষদ জনগণের সেবার প্রতিষ্ঠান। সেখানে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নিয়ে এমন পোস্টারিং কেবল তাদের ব্যক্তিগত সুনাম নয়, পুরো পরিষদের ভাবমূর্তিকে সংকটের মুখে ফেলেছে। তাই গুজব বা অনুমানের ভিত্তিতে নয়, বরং পোস্টারিংয়ের নেপথ্য কারণ, অভিযোগের উৎস এবং এর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুর ইউপিতে পোস্টার ঘিরে রহস্য, প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ২ নম্বর গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদে রাতের আঁধারে লাগানো কিছু পোস্টার ঘিরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও গাজীপুর বাজারের বিভিন্ন স্থাপনায় প্রশাসক মো. মাহাবুব আলম এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য কামরুন্নাহার চন্দনার ছবি সংবলিত এসব পোস্টার দেখা গেছে। পোস্টারে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ তোলা হলেও এর সপক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

পোস্টারের বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দা রতন জানান, সকালে এসব পোস্টার দেয়াল ও বিভিন্ন স্থাপনায় দেখতে পান এলাকাবাসী। পোস্টারে কোথাও ‘জনপ্রতিনিধির আসনে দায়িত্ব, নাকি অনৈতিক প্রেম?’ আবার কোথাও ‘ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রভাব নয়, ইউনিয়ন পরিষদে জনগণের সেবা চাই’—এমন বিভিন্ন বক্তব্য লেখা রয়েছে। তবে কে বা কারা এই পোস্টার ছাপিয়েছে, কোথা থেকে ছবি সংগ্রহ করেছে বা রাতের আঁধারে কারা টাঙিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সংরক্ষিত নারী সদস্য কামরুন্নাহার চন্দনা বলেন, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা। তিনি জানান, প্রশাসকের সঙ্গে তার কেবল প্রশাসনিক সম্পর্কই রয়েছে, ব্যক্তিগত কোনো যোগাযোগ নেই। একটি বরাদ্দের কাজকে কেন্দ্র করে কোনো মহল তার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রশাসক মো. মাহাবুব আলমও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, নারী সদস্যের সঙ্গে তার কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই। তিনি আরও জানান, কয়েক দিন আগে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আমজাত মেম্বারের সঙ্গে একটি বিষয় নিয়ে তার কথা কাটাকাটি হয়েছিল; এই ঘটনার জের ধরে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন প্রচারণা চালাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, ইউনিয়ন পরিষদ জনগণের সেবার প্রতিষ্ঠান। সেখানে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নিয়ে এমন পোস্টারিং কেবল তাদের ব্যক্তিগত সুনাম নয়, পুরো পরিষদের ভাবমূর্তিকে সংকটের মুখে ফেলেছে। তাই গুজব বা অনুমানের ভিত্তিতে নয়, বরং পোস্টারিংয়ের নেপথ্য কারণ, অভিযোগের উৎস এবং এর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh