ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকাতে বৃষ্টির মধ্যেও রাজপথে অনড়, টিটি পাড়ায় টি আই ওবায়দুল ও তার দলের ট্রাফিক সেবা, প্রশংসায় পঞ্চমুখ সাধারণ মানুষ যাত্রাবাড়ী থেকে ২ শিশু উদ্ধার, শিশুরা তাদের পরিচয় বলতে পারছে না সাংবাদিককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মাদক ব্যবসায়ী যুবদল নেতাকে গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রাঙ্গামাটিতে ডিবির চিরুনি অভিযান ইয়াবা সহ গ্রেফতার-৩ আড়াইশ বছরের ঐতিহ্য, ভোলার যে বাজারে চলে এখনো খাজনা মুক্ত পশু বেচাকেনা পশু বেশি ক্রেতা কম রাঙ্গামাটির কোরবানির হাটে বিক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি নবাবপুরে মেম্বার প্রার্থী আবুল কালাম শেখ ময়মনসিংহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা সহ গ্রেফতার ০১ যশোর সদর উপজেলার জুবায়ের আহমেদ বাঁচতে চাই ৩য় পর্ব: ইসলাম, পর্দা ও নারীর নিরাপত্তা: আমরা কি সত্যিই বুঝতে পেরেছি?

পশু বেশি ক্রেতা কম রাঙ্গামাটির কোরবানির হাটে বিক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা,
নিজস্ব প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে রাঙ্গামাটি পৌরসভা ট্রাক টার্মিনালের কোরবানির পশুর হাট,রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারি ও ব্যবসায়ীরা বিপুল সংখ্যক গরু নিয়ে এলেও আশানুরূপ ক্রেতা না থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বিক্রেতারা, হাটে পশুর সরবরাহ বেশি হলেও ক্রেতারা দাম নিয়ে দ্বিধায় থাকায় অনেক গরু বিক্রি ছাড়াই পড়ে রয়েছে।

পশুর হাট সংশ্লিষ্টদের দাবি, এবার রাঙ্গামাটির বাজারে প্রায় অর্ধলক্ষের বেশি গরু উঠেছে, যার বাজার মূল্য সাড়ে ৪শ থেকে ৫শ কোটি টাকারও বেশি, তবে গত বছরের তুলনায় পশুর সংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে ক্রেতা বাড়েনি, ফলে বিক্রেতারা কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে গরু ধরে রেখেছেন।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে গরু প্রচুর থাকলেও বিক্রেতারা চড়া দাম হাঁকছেন, মাঝারি আকারের গরুর দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে, অনেকেই দরদাম করে শেষ পর্যন্ত খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, গরু লালন-পালন, খাদ্য, চিকিৎসা ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

ব্যবসায়ীদের দাবি, ১টি গরু বাজারে আনতে মাইনীমুখ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১০-১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়, পথে পথে সরকারি টোল ও বিভিন্ন ধরনের চাঁদা দিতে হয়, সব মিলিয়ে ১টি গরু বিক্রি করলে লাভ থাকে মাত্র ৪-৫ হাজার টাকা।

অনেক ব্যবসায়ী বেশি দামের আশায় গরু এখনও বোটে আটকে রেখেছেন, সহজে হাটে না তুলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন তারা, এতে বাজারে কৃত্রিম দাম বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

লংগদু থেকে আসা গরু খামারি জানান, অনেক কষ্ট করে গরু লালন-পালন করে বাজারে এনেও প্রত্যাশিত দাম মিলছে না।

তারা জানান, বলেন, ১টি গরুর পেছনে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু ক্রেতারা দাম বলে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, এভাবে বিক্রি করলে অনেক লোকসান গুনতে হবে।

পশুর হাট ইজারাদাররা জানান, আগামী বুধবার পর্যন্ত প্রায় লক্ষাধিক কোরবানির পশু হাটে আসার সম্ভাবনা রয়েছে, এবার গত বছরের তুলনায় গরুর সরবরাহ বেশি হলেও ক্রেতা তুলনা মূলক কম, হাটে সর্বোচ্চ ১টি গরু বিক্রি হয়েছে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নৌ ও সড়ক পথে চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত হাসিল ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পশুর দামও বেড়েছে, তারা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কোরবানির পশু কিনতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পশু বেশি ক্রেতা কম রাঙ্গামাটির কোরবানির হাটে বিক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস

আপডেট সময় : ০৪:২৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
print news

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা,
নিজস্ব প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে রাঙ্গামাটি পৌরসভা ট্রাক টার্মিনালের কোরবানির পশুর হাট,রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারি ও ব্যবসায়ীরা বিপুল সংখ্যক গরু নিয়ে এলেও আশানুরূপ ক্রেতা না থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বিক্রেতারা, হাটে পশুর সরবরাহ বেশি হলেও ক্রেতারা দাম নিয়ে দ্বিধায় থাকায় অনেক গরু বিক্রি ছাড়াই পড়ে রয়েছে।

পশুর হাট সংশ্লিষ্টদের দাবি, এবার রাঙ্গামাটির বাজারে প্রায় অর্ধলক্ষের বেশি গরু উঠেছে, যার বাজার মূল্য সাড়ে ৪শ থেকে ৫শ কোটি টাকারও বেশি, তবে গত বছরের তুলনায় পশুর সংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে ক্রেতা বাড়েনি, ফলে বিক্রেতারা কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে গরু ধরে রেখেছেন।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে গরু প্রচুর থাকলেও বিক্রেতারা চড়া দাম হাঁকছেন, মাঝারি আকারের গরুর দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে, অনেকেই দরদাম করে শেষ পর্যন্ত খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, গরু লালন-পালন, খাদ্য, চিকিৎসা ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

ব্যবসায়ীদের দাবি, ১টি গরু বাজারে আনতে মাইনীমুখ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১০-১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়, পথে পথে সরকারি টোল ও বিভিন্ন ধরনের চাঁদা দিতে হয়, সব মিলিয়ে ১টি গরু বিক্রি করলে লাভ থাকে মাত্র ৪-৫ হাজার টাকা।

অনেক ব্যবসায়ী বেশি দামের আশায় গরু এখনও বোটে আটকে রেখেছেন, সহজে হাটে না তুলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন তারা, এতে বাজারে কৃত্রিম দাম বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

লংগদু থেকে আসা গরু খামারি জানান, অনেক কষ্ট করে গরু লালন-পালন করে বাজারে এনেও প্রত্যাশিত দাম মিলছে না।

তারা জানান, বলেন, ১টি গরুর পেছনে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু ক্রেতারা দাম বলে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, এভাবে বিক্রি করলে অনেক লোকসান গুনতে হবে।

পশুর হাট ইজারাদাররা জানান, আগামী বুধবার পর্যন্ত প্রায় লক্ষাধিক কোরবানির পশু হাটে আসার সম্ভাবনা রয়েছে, এবার গত বছরের তুলনায় গরুর সরবরাহ বেশি হলেও ক্রেতা তুলনা মূলক কম, হাটে সর্বোচ্চ ১টি গরু বিক্রি হয়েছে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নৌ ও সড়ক পথে চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত হাসিল ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পশুর দামও বেড়েছে, তারা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কোরবানির পশু কিনতে পারেন।